Sunday, April 7, 2013

কম্পিউটার ড্রাইভের মতন পার্টিশন দিন পেনড্রাইভকেও

আসা করি ভালো আছেন। সালাম সবাইকে। পেনড্রাইভকেও পার্টিশন করা যায়। ইচ্ছে করলে সহজেই কাজটি করা যায়। পেনড্রাইভের পার্টিশন করা অংশ শুধু নিজস্ব কম্পিউটারেই দেখা যায়। পেনড্রাইভ পার্টিশন করলে ভাইরাস দ্বারা আক্রমণের ভয় থাকে না। এতে করে মূল ড্রাইভটি বন্ধু বা পরিবারের সবার সামনে থাকলেও গোপন পার্টিশন করা ড্রাইভটি ব্যবহার করা যায় ইচ্ছে মতো। পেনড্রাইভকে পার্টিশন করতে হলে প্রয়োজন হবে ইউনিভার্সাল ইউএসবি ইনস্টলার নামক ছোট একটি সফটওয়্যার।
pendrive
এখন www.softpedia.com/get/System/OS-Enhancements/Universal-USB-Installer.shtml ঠিকানা থেকে ১.১ মেগাবাইট আকারের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড শেষে ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করে কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হবে।
প্রথমে ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ কিংবা পেনড্রাইভটিকে ইউএসবি পোর্ট দ্বারা কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এখন My Computer আইকনের ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে Manage-এ যেতে হবে। কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট উইন্ডো ওপেন হবে। সেখানে বামপাশে থাকা Device Manager-এ ক্লিক করতে হবে। এখন কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত সব হার্ডওয়্যার ডিভাইস দেখা যাবে। এবার ডানপাশের উরংশ উৎরাবং এর নিচের দিকে পেনড্রাইভটি দেখা যাবে। পেনড্রাইভটির ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে সেখান থেকে Properties-এ যেতে হবে।
এরপর Properties উইন্ডো আসার পর ওপরে থাকা ট্যাবগুলো থেকে Details ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। সেখানে Property উইন্ডো থেকে Device Instance Path অপশন সিলেক্ট করতে হবে। পরে Value উইন্ডোর নিচে থাকা লেখার ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে তা Copy করতে হবে। এখন কোনো কিছু সেভ না করেই সব উইন্ডো ক্লোজ করে বের হয়ে আসতে হবে।
এ পর্যায়ে ডাউনলোড করা সফটওয়্যারটির ফোল্ডার ওপেন করতে হবে। এখান থেকে cfadisk.inf নামের ফাইলটি খুঁজে বের করতে হবে। এবার Notepad কিংবা অন্য কোন টেক্সট এডিটর দ্বারা এটি ওপেন করতে হবে।
সবশেষে ওপেন পেজের ২৬তম লাইন থেকে device_instance_id_goes_here লেখাটিকে মার্ক করতে হবে। এবার মার্ক করা লেখার ওপর শুধু কপি করা অংশটুকু প্রতিস্থাপন করে দিলেই হবে। ফাইলটি সেভ করে বের হয়ে এলে পেনড্রাইভটিতে একটি গোপন পার্টিশন তৈরি হয়ে যাবে।

ব্লগার ব্লগ এ ​​খুব সুন্দর একটি জনপ্রিয় পোস্ট widget যোগ করুন

আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন কিভাবে ব্লগার এর পপুলার পোস্ট WIDGET পরিবর্তন করতে হয় । কিন্তু যারা ব্লগার এ নতুন তাদের blogspot ব্লগ কে সুন্দর করে সাজাতে আমার আই পোস্ট ।
To view live DEMO CLICK HERE

Untitled
  • আপনার ব্লগার অ্যাকাউন্ট এ লগ ইন করুন এবং ড্যাশবোর্ড এ যান
  • প্রথম এ যান  Blogger >> Your Blog >> Layout.
  • তারপর Add a Gadget >> Popular Posts
  • এখন নিচের পিকচার অনুযায়ী আপনার Widget এর সেটিং ঠিক করে সেভ করে নিন।
Untitled
  • তারপর  Blogger >> Template >> এ যান ।
  • আপনার ফুল Template টি backup হিশেবে রাখার জন্য ডাউনলোড করে নিন । পরে যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে আবার আপলোড করে সেভ করে আগের অবস্থায় ফিরতে পারবেন ।
  • এখন ক্লিক করুন -> Template -> Edit HTML-> Proceed
  • তারপর Ctrl+F এর মাধ্যমে খুজে বের করুন  ]]></b:skin>
  • এখন নিছের কোড টি কপি করে  ]]></b:skin> এর উপরে পেস্ট করুন ।

/*—. bditmela.blogspot.com  POPULAR WIDGET STYLE STARTS HERE—*/
#PopularPosts1 ul li a:hover{color:#fff;text-decoration:none}
#PopularPosts1 ul li a {-webkit-text-size-adjust: auto; -webkit-text-stroke-width: 0px; color: #333333; display: block; font-family: Georgia, ‘Times New Roman’, Times, serif; font-size: 13px; font-style: normal; font-variant: normal; font-weight: normal; letter-spacing: normal; line-height: 18px; margin: 0px 40px 0px 0px; min-height: 30px; orphans: 2; padding: 0px; text-align: -webkit-auto; text-decoration: none !important; text-indent: 0px; text-transform: none; white-space: normal; widows: 2; word-spacing: 0px;}
#PopularPosts1 ul li .item-thumbnail{float:left;border:0;margin-right:10px;background:transparent;padding:0;width:51px;height:51px}
#PopularPosts1 ul li:first-child:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li + li:after,
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li + li + li:after{position:absolute;top:10px;right:5px;border-radius:50%;border:2px solid #ccc;background:#353535;-webkit-box-shadow:0px 0px 5px #000;-moz-box-shadow: 0px 0px 5px #000;width:30px;height:30px;line-height:1em;text-align:center;font-size:28px;color:#fff}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li {background:#DF01D7;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li:after{content:”8″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li +li{background:#B041FF;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li + li:after{content:”9″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li +li +li{background:#F52887;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li + li + li + li:after{content:”10″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li +li{background:#7ee3c7;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li:after{content:”6″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li +li{background:#f6993d;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li + li + li:after{content:”7″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li{background:#33c9f7;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li + li:after{content:”5″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li{background:#c7f25f;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li + li:after{content:”4″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li{background:#ffde4c;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li + li:after{content:”3″}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li{background:#ff764c; width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child + li:after{content:”2″}
#PopularPosts1 ul li:first-child{background:#ff4c54 ;width:90%}
#PopularPosts1 ul li:first-child:after{content:”1″}
#PopularPosts1 ul{margin:0;padding:0px 0;list-style-type:none}
#PopularPosts1 ul li{position:relative;margin:6px 0;border-radius:25px 0px 25px 0px;border:2px solid #f7f7f7;-webkit-box-shadow:3px 3px 3px #000;-moz-box-shadow: 3px 3px 3px #000;padding:10px}
/*—bditmela.blogspot.com POPULAR WIDGET STYLE ENDS HERE—*/

  • ইচ্ছা করলে আপনারা নিজে নিজেই আপনাদের ইচ্ছা মত সব কিছু পরিবর্তন করে নিতে পারেন। যেমনঃ width, background, height, color etc.
  • Step 5: সব শেষে সেভ করুন এবং আপনার ব্লগ টি রিফ্রেশ করে দেখুন আপনার খুব সুন্দর পপুলার পোস্ট WIDGET

সুস্বাদু ফল আম এবং আমের জানা অজানা উপকারিতা।

আম আক্তি সুস্বাদু ফল ,আমরা বলি ফলের রাজা আম।
আমরা বাঙালি আর বাঙালি সংস্কৃতির সাথে আম ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িত ।
আমাদের  জন্মের পর  আম এর সাথে  মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে।
আম পাতা জোড়া জোড়া ,মরব চাবুক চরবে ঘোড়া
এই কবিতা দিয়ে আমাদের পরালেখার সাথে আম বেপার টা যুক্ত হয়।
তার পর আর পেছনে নয় ,সামনে পথ চলা শুরু  হয় ।আমকে নিয়া রচনা ও কতো লিখলাম আমরা ।
গাছে গাছে আম দরেছে ।কয়েক দিন পর সারা দেশ আমের জোয়ারে ভাসবে।
imagesm
আম  এর  (ইংরেজি: Mango) এই উপমহাদেশীয় এক প্রকারের সুস্বাদু ফল। কাচা অবস্থায় এর রং সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ রং হয়ে থাকে। বাংলাদেশ এবং ভারত এ যে প্রজাতির(species) আম চাষ হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica. এটি Anacardiaceae পরিবার এর সদস্য। তবে পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। আমের বিভিন্ন জাত (varity) আছে, যেমন ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, কাচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপূরী, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, সূর্যপূরী, পাহুতান, ত্রিফলা ইত্যাদী। আম গাছ কে বাংলাদেশের জাতীয় গাছের প্রতীক হিসেবে নেয়া হয়েছে।
mango
আমের
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বর্গ: Sapindales
পরিবার: Anacardiaceae
গণ: Mangifera
আম গাছ সাধারণত ৩৫-৪০মি: (১১৫-১৩০ ফিট) লম্বা এবং সর্বোচ্চ ১০মি: (৩৩ ফিট) ব্যাসার্ধের হয়ে থাকে। আম গাছ গুলো বহু বছর বাঁচে, এর কিছু প্রজাতিকে ৩০০ বছর বয়সেও ফলবতী হতে দেখা যায়। এর প্রধান শিকড় মাটির নিচে প্রায় ৬মি: (২০ ফিট) গভীর পর্যন্ত যেয়ে থাকে। আম গাছের পাতা চিরসবুজ, সরল, পর্যায়ক্রমিক, ১৫-৩৫ সে:মি: লম্বা এবং ৬-১৬ সে:মি: চওড়া হয়ে থাকে; কচি পাতা দেখতে লালচে-গোলাপী রং এর হয়। আমের মুকুল বের হয় ডালের ডগা থেকে, ফুল থেকে শুরু করে আম পাকা পর্যন্ত প্রায় ৩-৬ মাস সময় লাগে।

ripe-mangoes

প্রতি ১০০ গ্রাম আম এ শক্তির পরিমান   (3.5 oz) is 250 kJ (60 kcal), and that of the apple mango is slightly higher (79 kcal per 100g). Mango contains a variety of pytho chemical and nutrintsThe fruit pulp is high in prebiotic  dietray fiber vitamin c, diverse polyphenols and provitamin a carotins
1305679147312
আমে খনিজ লবন এবং ভিটামিন উপাদান  ভিটামিন এ ভিটামিন সি, ভিটামিন -বি৬ (pyridoxine), পটাসিয়াম, কপার লৌহ  এবং এমাইনো এসিড ।
june-049
আমের বায়োলজিকাল উপাদান = প্রো ভিতামিন এ  বেটা ক্যারোটিন , লুশিয়েন এবং আলফা ক্যারোটিন  পলি পিথানল  কিউরেচিন কাম্ফারল, জিলাইক এসিড  ক্যফিক এসিড,  আরও অনেক
green_mango_shake (2)_timestamph
আমের   ভেশজ গুন   আম আমাদের স্কিন ক্যান্সার সহ ভিভিন্ন জটিল রোগ নিরাময় করে
dfssds
আমের অভন্তরীন রঙ  ভারতীও হলুদ, সহ  ।লাল ,কমলা ।সবুজ ,টিয়া ।ইত্যাদি ।
amm
আমের চাষাবাদ
ভারতীয় উপমহাদেশে আম কয়েক হাজার বছর ধরে চাষাবাদ চলছে, পূর্ব এশিয়াতে আমের প্রচলন হয় খ্রীষ্টপূর্ব ৫ম-৪র্থ শতাব্দী থেকে এবং চাষাবাদ শুরু হয় আরো পরে খৃষ্টাব্দ ১০ম শতাব্দী দিকে। ভারতীয় উপমহাদেশ এবং পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের পর পৃথিবীর অন্য যেসব দেশে ভারতীয় উপমহাদেশের মত জলবায়ু রয়েছে, যেমন: ব্রাজিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা মেক্সিকো তে আরো অনেক পরে আমের প্রচলন ও উৎপাদন শুরু হয়[। মরোক্কোর পর্যটক  ইবনে বতুতা  ১৪ শতকে আমের বর্ণনা লিপি বদ্ধ করেন।
green_mango_shake (2)_timestamp
বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সমস্ত উষ্ণ প্রধান জলবায়ুর অঞ্চল গুলিতে আমের চাষাবাদ হয়। এর মধ্য অর্ধেকের কাছাকাছি আম উৎপাদন হয় শুধুমাত্র ভারতে ।এর পর অন্যান্য যেসব দেশ আম উৎপাদন করে তার মধ্যে আছে চিন, বাংলাদেশ , পাকিস্তান, নেপাল ।ভুটান , উত্তর-দক্ষিণ ও মধ্য আমারিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকা প্রভৃতি।
আমরা বুঝ তে পারিনা  আম এর কতো গুন  ,তবে আমি বল তে চাই অন্তত একটি আম গাছ লাগান ,
প্রতিদিন অন্তত ১০০ গ্রাম ফল খান ।