Wednesday, June 8, 2016

রমজান মাসের ফজিলত


আল্লাহ্‌ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেনঃ
“এই সেই রমজান মাস, যে মাসে কোরআন নাযিল করা হয়েছে; যা মানুষের জন্যে হেদায়াত স্বরূপ, যা এমন স্পষ্ট উপদেশে পরিপূর্ণ যে, তা সঠিক পথ দেখায় এবং হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্য পরিস্কারভাবে তুলে ধরে।”- সুরা আল বাকারাঃ ১৮৫
১. রমজান মাসের ফজিলত;হাদিসে বলা হয়েছে যে,  এ মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করা হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করা হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়। আর এ কাজগুলো রমজানের প্রতিরাতেই সংঘটিত হয় এবং শেষ রমজান পর্যন্ত এর ধারাবাহিকতা বিদ্যমান থাকে।

২. এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হল যে, জান্নাত-জাহান্নাম আল্লাহর সৃষ্ট দু’টি বস্তু যার দরজাগুলো প্রকৃত অর্থেই খোলা কিংবা বন্ধ করা হয়।
[ শরহে ইবনে বাত্তাল : ৪/২০, আল-মুফহিম : ৩/১৩৬]

৩. ফজিলতপূর্ণ সময় এবং তাতে যেসব আমল করা হয়, তার সব কিছুই আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ। যার ভিত্তিতে জান্নাতের দরজাসমূহ খোলা হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করা হয়।

৪. রমজানের সুসংবাদ প্রদান এবং রমজানকে স্বাগত জানানো বৈধ। কারণ, রাসূল সা. নিজ সাহাবাদের সুসংবাদ প্রদান এবং নেক আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার জন্য রমজানের এ বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করতেন। তদ্রুপভাবে প্রত্যেক কল্যাণকর আমলের ব্যাপারে এরূপ করা বৈধ।

৫. অবাধ্য দুরাচার শয়তানদের রমজান মাসে আবদ্ধ করা হয়। যার ফলে তার প্রভাব কমে যায় এবং বনি আদম বেশি করে নেককাজ করার সুযোগ পায়। 
৩. ফজিলতপূর্ণ সময় এবং তাতে যেসব আমল করা হয়, তার সব কিছুই আল্লাহর সন্তুষ্টির কারণ। যার ভিত্তিতে জান্নাতের দরজাসমূহ খোলা হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করা হয়।                                                            

৪. রমজানের সুসংবাদ প্রদান এবং রমজানকে স্বাগত জানানো বৈধ। কারণ, রাসূল সা. নিজ সাহাবাদের সুসংবাদ প্রদান এবং নেক আমলের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার জন্য রমজানের এ বৈশিষ্ট্যগুলো বর্ণনা করতেন। তদ্রুপভাবে প্রত্যেক কল্যাণকর আমলের ব্যাপারে এরূপ করা বৈধ।                                                                                                                     
৫. অবাধ্য দুরাচার শয়তানদের রমজান মাসে আবদ্ধ করা হয়। যার ফলে তার প্রভাব কমে যায় এবং বনি আদম বেশি করে নেককাজ করার সুযোগ পায়।

৬. রমজান মাসে আল্লাহর দয়া ও মেহেরবানি প্রত্যক্ষ করা যায়। তিনি বান্দার রোজা হেফাজত করেন এবং শয়তানদের বন্দি করে রাখেন, যাতে সে এ পবিত্র মাসে বান্দার এবাদত নষ্ট না করতে পারে।
[জখিরাতুল উকবা : ২০/২৫৫]

৭. এ হাদিস দ্বারা শয়তানের অস্তিত্বের প্রমাণ মিলে। তারা শরীর বিশিষ্ট্য যা শেকলে বাঁধা যায়। তাদের মধ্যে কতক রয়েছে অবাধ্য, যাদেরকে রমজান মাসে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।
[জখিরাতুল উকবা : ২০/২৫৫]

৮. যে ব্যক্তি রমজানের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করবে এবং এতে আল্লাহর হুকুম যথাযথ পালন করবে, সে রমজানের এসব ফজিলত লাভে ধন্য হবে। কাফের, যারা এ মাসে রোজা রাখে না এবং এ মাসের কোন মর্যাদা স্বীকার করে না, তাদের জন্য জান্নাতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করা হয় না, তাদের জন্য জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করা হয় না। তাদের শয়তানসমূহ বন্দি করা হয় না এবং তারা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ারও উপযুক্ত নয়।[ ফতোয়া শাইখুল ইসলাম : ৫/১৩১-৪৭৪] এর ভিত্তিতে বলা যায়, রমজান কিংবা অন্য মাসে যদি তাদের কেউ মারা যায় তবে সে আল্লাহর শাস্তির উপযুক্ত হবে।

৯. মুসলমান হয়ে যে ব্যক্তি কাফেরদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখল, যেমন রমজানের অবমূল্যায়ন করল, রমজানে পানাহার করল, রোজা ভঙ্গ হয়ে যায় এমন কাজ করল অথবা এমন কাজ করল যার দ্বারা রোজার সওয়াব কমে যায়, যেমন গিবত, চোগলখুরীতে লিপ্ত হল, মিথ্যা সাক্ষ্য দিল বা তার মজলিসে উপস্থিত হল, তার ব্যাপারেও আশঙ্কা করা যায় যে সে রমজানের ফজিলত থেকে মাহরুম হবে, তার জন্য জান্নাতের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করা হবে না, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করা হবে না এবং তার জন্য শয়তানদেরও শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হবে না।

১০. সুরায়ে সাদের ৫০ নাম্বার আয়াতে জান্নাতের প্রশংসায় বলা হয়েছে, ‘জান্নাত চিরস্থায়ী বাসস্থান, তাদের জন্য তার দরজাগুলো উম্মুক্ত’। এর দ্বারা জান্নাতের দরজাগুলো সর্বদা উম্মুক্ত তা বুঝায় না, দ্বিতীয়ত এ সংবাদ হচ্ছে কিয়ামতের দিন সম্পর্কে, তাই এ হাদিসের সাথে তার কোন বিরোধ নেই। তদ্রুপ সুরায়ে জুমারের ৭১ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘অবশেষে যখন তারা জাহান্নামের কাছে আসবে, তখন জাহান্নামের দরজাসমূহ উম্মুক্ত করে দেয়া হবে’। তার সঙ্গেও এ হাদিসের বিরোধ নেই, কারণ হতে পারে, তার আগে আরো দরোজা আছে, যা খোলে দেয়ার কথা এ হাদিসে বলা হয়েছে। 

 ১১. লাইলাতুল কদরের ফজিলত প্রমাণিত হয়। যে রাত এমন হাজার মাস থেকে উত্তম যার মধ্যে লাইলাতুল কদর নেই। যে ব্যক্তি এ রাতের বরকত থেকে মাহরুম হল, সে অনেক কল্যাণ থেকে মাহরুম হল।

১২. রমজানের প্রত্যেক রাতেই আল্লাহ তাআলার কতক মুক্ত বান্দা থাকে। তারাই মুক্তি পাওয়ার বেশি হকদার, যারা রোজা রাখে ও তা হেফাজত করে, যারা রমজানে কেয়াম করে ও তার মধ্যে ইহসান রক্ষা করে, আল্লাহর মহব্বত ও তার সওয়াবের আশায় এবং তার শাস্তির ভয়ে বেশি বেশি নেক আমল করে।

১৩. জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত এসব বান্দাদের জন্য আল্লাহর নিকট একটি করে কবুল দোয়ার ওয়াদা রয়েছে। তারা দু’টি কল্যাণপ্রাপ্ত হল : কবুল দোয়া ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি।

১৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকের কর্তব্য রোজা ভঙ্গকারী বা রোজার সওয়াব নষ্টকারী বস্তু থেকে দূরে অবস্থান করা এবং আল্লাহর নিষিদ্ধ বস্তু থেকে চোখ, কান ও জবানকে হেফাজত করা। 
১৩. জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত এসব বান্দাদের জন্য আল্লাহর নিকট একটি করে কবুল দোয়ার ওয়াদা রয়েছে। তারা দু’টি কল্যাণপ্রাপ্ত হল : কবুল দোয়া ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি। ১৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মুসলমান হিসেবে প্রত্যেকের কর্তব্য রোজা ভঙ্গকারী বা রোজার সওয়াব নষ্টকারী বস্তু থেকে দূরে অবস্থান করা এবং আল্লাহর নিষিদ্ধ বস্তু থেকে চোখ, কান ও জবানকে হেফাজত করা।

১৫. রোজাদার ব্যক্তির উচিত বেশি বেশি দোয়া করা। কারণ, রোজাদার ব্যক্তির দোয়া কবুল হওয়ার বেশি সম্ভাবনা রয়েছে।



Thursday, April 28, 2016

নিমবাজ দিয়ে চ্যাটিং করুন

নিমবাজ দিয়ে চ্যাটিং করুন একসাথে

 

অনলাইনে চ্যাটিং করার জন্য প্রায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানেররই নিজস্ব ডেক্সটপ ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার রয়েছে। তারপরেও একটি ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার দ্বারা যদি জনপ্রিয় সকল সাইটের চ্যাটিং সুবিধা পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়! এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে নিমবাজ। মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী নিমবাজ এখন কম্পিউটারেও (উইন্ডোজ এবং ম্যাক) ব্যবহার করা যাবে। এতে ইয়াহু!, গুগল (জিমেইল, গুগল এ্যাপস), উইন্ডোজ লাইভ (হটমেইল, লাইভ, এমএসএন ইত্যাদি), ফেসবুক, মাইস্পেস, এআইএম, আইসিকিউ, গাডুগাডু এবং হাইভেস একাউন্ট ব্যবহার করা যাবে।
 আর মোবাইলে বাড়তি হিসাবে স্কাইপ ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও এখানকার স্ট্যাটাস সকল একাউন্টের সাথে যেমন যুক্ত হবে তেমনই টুইটারে পোষ্ট করার ব্যবস্থাও আছে। নিমবাজ ব্যবহার করলে একাধিক একাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার ইনস্টল না করে নিমবাজ দ্বারাই চ্যাটিং করা যাবে। ওয়েবসাইটটির ঠিকানা www.nimbuzz.com।

Monday, April 25, 2016

ডিশ লাইন ছাড়াই চলবে সব টিভি চ্যানেল


18
সিকদারঃ অবশেষে ডিস লাইনওয়ালাদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্যের অবসান হতে চলছে।বাংলাদেশে বর্তমানে ডিটিএইচ সেবার দেওয়ার ২টি অপারেটরকে লাইসেন্স দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। আর বাদবাকি সবই অবৈধভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা করছে। টিভি দর্শকদের কয়েকটি ক্যাবল অপারেটর ও টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভির ওপর নির্ভর করতে হয়। ব্যক্তিগত ডিশ ব্যবহারকারীরা অল্প কয়েকটি ফ্রি চ্যানেল দেখতে পারে।
ভারতীয় অপারেটররা দর্শকদের কোনো স্থানীয় বাংলা টিভি না দিয়ে সরকারকে কোনো কর না দিয়ে অবৈধভাবে উচ্চমুল্যে ডিটিএইচ ব্যবসা করছে। ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি দর্শক তার বাড়িতে একটি ছোট ডিস ও রিসিভারের মাধ্যমে সরাসরি সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারবেন। ডিশ লাইনওয়ালাদের মতো আলাদা তারের মাধ্যমে প্রতিটি টিভি সেটে ক্যাবল সংযোগ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। সরকার গত ৩ বছর আগে ক্যাবল অপারেটরদের ব্যাপক বাধা সত্ত্বেও দেশের দুটি বড় কোম্পানিকে ডাইরেক্ট টু হোম (ডিটিএইচ) সেবার অনুমতি দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী প্রথম ডিটিএইচ কোম্পানি চালুর ঘোষণা দিয়েছে বেক্সিমকো। খুব শিগগির এই সেবা চালু হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সেবা চালু হলে একজন গ্রাহক সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তার পছন্দমতো সব চ্যানেল ঝকঝকে এইচডি কোয়ালিটিতে দেখতে পারবেন।
নতুন এ কোম্পানিতে বেক্সিমকোর অংশীদার হয়েছে রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান জিএস গ্রুপ। বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড নামের এ যৌথ প্রকল্প জিএস গ্রুপের সমন্বিত প্রযুক্তি সেবা দেবে বাংলাদেশের গ্রাহকদের।
জানা গেছে, চলতি বছর বাণিজ্যিকভাবে ডিটিএইচর কার্যক্রম শুরু হবে। আগামী বছরের মধ্যে ৩ লাখ গ্রাহককে এই সেবা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ডিটিএইচ। এরপর প্রতিবছর ৪ লাখ নতুন গ্রাহকের কাছে সেবা পৌঁছানোর প্রাথমিক লক্ষ্য ঠিক করেছে কোম্পানিটি। যৌথ উদ্যোগে গৃহীত এই কার্যক্রমের আওতায় স্থানীয় বাংলা ও শীর্ষ আন্তর্জাতিক চ্যানেলগুলো উপভোগের সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা।

প্রচন্ড গরমে কাঁচা আমের শরবত


এই-গরমে-কাঁচা-আমের-শরবত
 প্রচণ্ড গরমে ঠাণ্ডা কিছু খেতে তো মন কেমন করবেই। কিন্তু পথেঘাটে অস্বাস্থ্যকর পানীয় না খেয়ে ঘরে তৈরি পানীয় খাওয়া উচিৎ। নয়তো বিভিন্নরকম অসুখ-বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। তাই স্বাস্থ্য ও নিজের সুস্থতার দিকে নজর দিতে ঘরেই তৈরি করে ফেলুন বিভিন্নরকম সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর পানীয়। বাজারে এখন প্রচুর কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। এই আম যে শুধু আচার কিংবা চাটনি তৈরিতেই ব্যবহৃত হয়, এমন নয়। কাঁচা আম দিয়েই তৈরা করা যায় চমৎকার স্বাদের শরবত। চলুন তবে, ঝটপট রেসিপি শিখে নিই-
উপকরণ : কাঁচা আম ৪টি, পানি ৮ কাপ, সিরাপ বা চিনি প্রয়োজনমতো, বিট লবণ ১ চা-চামচ, সরিষাগুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা আধা চা-চামচ, পুদিনাপাতা বাটা ১ টেবিল-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ বা পরিমাণমতো।
প্রণালি : আমের খোসা ছাড়িয়ে সেদ্ধ করে ছেনে নিয়ে আঁটি ফেলে দিতে হবে। সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

খুসখুসে কাশি অতঃপর সমাধান

ভালো থাকুন

coughing-cure

** কাশি তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে তাকে পুরোনো কাশি বলে। আর সঙ্গে শ্লেষ্মা না থাকলে সেটাকে খুসখুসে কাশি বলে। সাধারণত হাঁপানি, বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ-পরবর্তী জটিলতা, সাইনাসের প্রদাহ, নাক দিয়ে দীর্ঘদিন সর্দি ঝরার পরবর্তী জটিলতা, অতিরিক্ত ধূমপান ইত্যাদি কারণে খুসখুসে কাশি হয়ে থাকে।
পুরোনো কাশির সঙ্গে রক্তমিশ্রিত শ্লেষ্মা বেরোলে সেটা যক্ষ্মা বা ফুসফুসের ক্যানসারের কারণে হতে পারে। কফ ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা হলে সাধারণত একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং বুকে কোনো ঘড়ঘড় শব্দ পাওয়া যায় না। সাইনাসের প্রদাহের কারণে কাশি হলে সঙ্গে সাধারণত মাথাব্যথাও থাকে। এই ব্যথা ঘাড় বা শরীর সামনের দিকে ঝোঁকালে বেশি হয় এবং রাতের বেলায় তীব্র রূপ নেয়।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে বা শুয়ে থাকলে বা বেশি পরিমাণে খাবার খেলে যদি কাশি হয়, সেটার কারণ পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ-পরবর্তী জটিলতার কাশিতে সাধারণত একটা সংক্রমণের ইতিহাস থাকে। এতে কাশি মৃদু হয়, যা বিরতি দিয়ে আসে, এমনকি তিন বা চার মাসও থাকতে পারে। এ ছাড়া অ্যাটিপিকাল নিউমোনিয়ার কারণে কারও দীর্ঘদিন ধরে কাশি লেগে থাকতে পারে।


খুসখুসে কাশির সমাধান

★★★প্রতিদিনের জীবনযাপনকে স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে ছোট কিছু হেলথ টিপস!
মৌসুম বদলের এই সময়ে খুসখুসে কাশি, গলা ব্যথা লেগেই থাকে। এর বেশির ভাগই অ্যালার্জিজনিত। এ ধরনের কাশিতে সাধারণত কফ তৈরি হয় না, কফ বেরোয়ও না। শুকনো কাশির সাধারণ কারণের মধ্যে অ্যালার্জি ছাড়াও ভাইরাস সংক্রমণ, ক্রনিক ব্রংকাইটিস, পাকস্থলীর অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গলায় উঠে আসা, হাঁপানি ইত্যাদি দায়ী।
ঋতুবদলের আগে-পরে এ রকম খুসখুসে কাশিতে আক্রান্ত হলে শুরুতে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যায়। যেমন—
-গরম বাষ্প শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে কাশি অনেকটাই তরল হয়ে আসবে এবং আরাম মিলবে। হালকা গরম লবণ পানি দিয়ে গার্গল করলেও উপকার হবে।
-হালকা গরম পানি, গরম দুধ বা গরম স্যুপ খেতে পারেন, এতে ফুসফুসের জমাট ভাবটা কেটে যাবে।
-আদা দিয়ে তৈরি চা, এক চামচ মধু, পুদিনা বা তুলসী পাতার রস—এগুলো সবই কাশি প্রশমন করে।
-রাতে বিরক্তিকর কাশি থেকে বাঁচতে একটু উঁচু বালিশ ব্যবহার করুন, শোবার আগে একটু গার্গল করুন।
-কফি, ক্যাফেইনযুক্ত খাবার, চকলেট এবং ভাজাপোড়া খাবার কাশির দমক বাড়িয়ে দিতে পারে।
-ঠান্ডা পানি ও পানীয় থেকে বিরত থাকাই ভালো। আর ধূমপান অবশ্যই নয়।
-বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই, বিশেষ করে সঙ্গে জ্বর না থাকলে। চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিহিস্টামিন বা মনটিলুকাস্ট জাতীয় ওষুধ খাওয়া যায়। এগুলো গলা বা শ্বাসনালিতে কাশি উৎপাদনকারী রাসায়নিকের পরিমাণ কমাবে, শ্বাসনালিকে প্রসারিত করবে। ফলে জমে থাকা কফ বেরিয়ে আসতে পারবে।
-প্রচলিত কফ সিরাপ কাশি আরও শুষ্ক করে দিতে পারে।
কয়েক দিনের মধ্যে অ্যালার্জিজনিত বা ভাইরাসজনিত কাশি সেরে যাওয়ার কথা। হাঁপানি বা ব্রংকাইটিসের রোগীদের জন্য এই ঋতুবদলের মৌসুমটা খুবই খারাপ। প্রয়োজনে তাদের অ্যান্টিবায়োটিক বা ইনহেলার, নেবুলাইজার লাগতে পারে। কাশি দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো

মুখে দুর্গন্ধ: মেনে চলুন ৭ পরামর্শ

ভালো থাকুন

অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল |
মুখে বা নিশ্বাসের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস একটি বিব্রতকর সমস্যা। এ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য কী কী করতে হবে, জেনে নিন:
১. বাজারে অনেক ধরনের মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায়। তবে অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা মুখগহ্বরকে শুষ্ক করে তোলে এবং এতে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্মায়। বরং প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হালকা গরম লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে পারেন।
২. সজীব নিশ্বাসের জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে যোগ করা যেতে পারে কয়েক ফোঁটা চা পাতার তেল অথবা পুদিনার তেল।
৩. যাঁরা মুখের দুর্গন্ধে ভুগছেন, প্রতিবার খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করুন। তাহলে মুখের ভেতরে জমে থাকা খাবারের কণাগুলো বেরিয়ে যাবে।
৪. বেশির ভাগ মানুষ শুধু তাঁদের দাঁত পরিষ্কার করেন, কিন্তু জিব পরিষ্কার করেন না। কিন্তু সেটাও জরুরি।
৫. যাঁদের মুখগহ্বর বেশি শুষ্ক, তাঁরা মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ ক্ষেত্রে অল্প অল্প করে বারবার প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৬. ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলও মুখের শুষ্কতার জন্য দায়ী।
৭. নিকোটিন হচ্ছে সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি দাঁত ও জিহ্বাতে জমে যায়। ধূমপান মুখের ভেতরটাকে বেশি শুষ্ক করে তোলে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লালাও তৈরি হতে পারে না।

এই গরমে নিরাপদ পানীয়


ভালো থাকুন 

এই গ্রীষ্মের প্রখর রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাব, শরবত, আখের রস, লেবুপানি ও বিভিন্ন জুসের কদরও বাড়ে। রাস্তার মোড়ে, হাটবাজারে দেখা যায় নানা রকমের পানীয় বিক্রির হিড়িক।
কিন্তু খোলাবাজারের এসব পানীয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়। কারণ, প্রায়ই অনিরাপদ পানি ও বরফ দিয়ে অপরিচ্ছন্ন, অস্বাস্থ্যকর উপায়ে এসব প্রস্তুত ও পরিবেশন করা হয়। তা ছাড়া, এসব অনিরাপদ পানি বা বরফে থাকতে পারে নানা রোগজীবাণু। ফলে এগুলো পান করলে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, হেপাটাইটিসসহ পানিবাহিত নানা রোগ হতে পারে। আর তাই বাজারের এসব খোলা পানীয়র পরিবর্তে নিরাপদ পানীয় পান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী হচ্ছে সাধারণ কিন্তু নিরাপদ পানি।
প্রচণ্ড দাবদাহে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে এই ঘাটতি মেটানো সম্ভব। এ ছাড়া এ সময় পান করতে পারেন ডাবের পানি। এতে প্রচুর খনিজ উপাদান থাকে, যা আমাদের শরীরকে চাঙা করতে সহায়ক। তরমুজ, ফুটি, বেল, কাঁচা আমের জুস অথবা লেবুপানিও পান করতে পারেন।
ডা. এ হাসনাত শাহীন
ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ, বিআইএইচএস জেনারেল হাসপাতাল
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: ডায়রিয়া হলে কখন শিরায় স্যালাইন দেওয়া উচিত?
উত্তর: ডায়রিয়ার কারণে পানিশূন্যতা না হলে বা মৃদু পানিশূন্যতা হলে মুখে খাওয়ার স্যালাইন নিলেই চলবে। কিন্তু তীব্র পানিশূন্যতায় যখন চোখ দেবে যায়, জিব-ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় অথবা শিরা দুর্বল হয়ে পড়ে—তখন শিরায় স্যালাইন দেওয়া উচিত। ডায়রিয়ার সঙ্গে বারবার বমি হলে বা স্যালাইন খেতে না পারলেও শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।
অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বিএসএমএমইউ

Monday, April 18, 2016

ফিরিয়ে নিন ভুল করে পাঠানো ই-মেইল

Send বাটনে চাপ দিতেই মনে পড়ে গেল ই-মেইলে যে ফাইলটি যুক্ত (অ্যাটাচড) করার কথা তা আদতে করা হয়নি। কিংবা বন্ধুর জন্য লেখা ই-মেইলে ভুল করে বসের ঠিকানা জুড়ে দিয়েছেন। ই-মেইল তো অনেকটা মুখের কথার মতোই—একবার বেরিয়ে গেল তো ফেরত নেওয়ার আর সুযোগ নেই। তবে ই-মেইল সেবাদাতাটি যদি জিমেইল হয়, তাহলে পাঠানো বার্তাটি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত কিছুটা হলেও সময় পাবেন। ‘Undo Send’ নামের সুবিধার মাধ্যমে ভুল করে পাঠানো ই-মেইল তাৎক্ষণিকভাবে মুছে ফেলা বা থামিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। জিমেইল ল্যাবসে বছর ছয়েক আগে সুবিধাটি যোগ করা হলেও তা ছিল পরীক্ষামূলক। সে সময় এই সুবিধা নিজের জন্য যোগ করে থাকলে অবশ্য নতুন করে কিছু আর করতে হবে না। যদি নতুন করে যোগ করতে চান, তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
  • জিমেইলে ঢুকুন (লগ-ইন)।
  • পর্দার ওপরের দিকে ডান কোনায় গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন।
  • Settings নির্বাচন করুন।
  • General ট্যাবের নিচে Undo Send অংশে যান।
  • Enable Undo Send-এ ক্লিক করুন।
  • পাশের তালিকা থেকে ৫, ১০, ২০ বা ৩০ সেকেন্ড সময় নির্বাচন করে দিন।
  • পর্দার নিচে Save Changes বোতামে ক্লিক করে নতুন সেটিংস সংরক্ষণ করুন।
এরপর প্রতিবার কোনো ই-মেইল পাঠানোর পরে ‘Your message has been sent’ লেখার পাশে Undo বোতাম দেখতে পাবেন।
সূত্র: পিসি ম্যাগ

Tuesday, March 29, 2016

ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে রক্তচাপ কমানো সম্ভব!


ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে রক্তচাপ কমানো সম্ভব!
সাধারণত রক্তচাপ বলতে সিস্টেমিক প্রবাহের ধমনিক প্রবাহকে বোঝায়। প্রতিটি হৃৎস্পন্দনের সময় একবার সর্বোচ্চ চাপ (সিস্টোলিক) এবং সর্বনিম্ন চাপ (ডায়াস্টলিক) হয়। মূলত হৃৎপিন্ডের সংকোচন প্রবণতাই রক্তচাপের প্রধান কারণ। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে মানুষ বেশিরভাগ সময়ই ওষুধ ব্যবহার করে থাকে। তবে, লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করেই কিন্তু এটা কমানো সম্ভব। এমন কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে,  যা সব রক্তচাপকেই নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্ত চাপ কমানোর জন্য প্রাকৃতিক কিছু উপায় হল:

ব্যায়াম
ব্লাড প্রেসার কমানোর একটি কার্যকারী উপায় হচ্ছে ব্যায়াম। প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেই এক সপ্তাহ পর ব্লাড প্রেসার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। এজন্য হাঁটা, দৌঁড়ানো, সাঁতার কাটা এবং সাইকেল চালানোর মতো আরও অনেক কাজ করা যেতে পারে৷
কলা
পটাসিয়ামের প্রধান উৎসই হচ্ছে কলা। তাই রক্তচাপ কমাতে প্রতিদিন কলা খেতে হবে। এছাড়া অন্যান্য যেসব খাবারে পটাসিয়াম রয়েছে৷ তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আলু, কমলা লেবুর জুস এবং দই প্রভৃতি খাবারও খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে৷
লবণ
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণের জন্য লবণ কম খাওয়ার কোনও বিকল্প নেই। যারা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন, তাদের দিনে ১৫০০ মিলিগ্রামেরও কম লবণ খাওয়া উচিত।
ধুমপান
ধুমপায়ীদের সবচেয়ে বেশি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি রয়েছে। তাই উচ্চ রক্তচাপ থেকে বাচঁতে চাইলে তা এড়িয়ে চলুন।
ওজন
অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম একটি কারণ। শুধু রক্তচাপ নয়, অতিরিক্ত ওজন হার্টের কার্যক্রমকেও বাধাগ্রস্ত করে। তাই এটি কমিয়ে ফেলাই ভালো।
অ্যালকোহল
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অ্যালকোহলের মাত্রা কমিয়ে ফেলতে হবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দিনে দু’পেগের বেশি অ্যালকোহল পান করলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে।
ধ্যান বা মেডিটেশন
প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে নিয়ম করে প্রার্থনা, ধ্যান বা মেডিটেশন করলে ব্লাড প্রেসার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এছাড়া নিয়ম করে যোগ ব্যায়াম করলেও ব্লাড প্রেসার কমানো সম্ভব।

 

গরমে ত্বক ঠিক রাখার ৯টি উপদেশ


গরমে ত্বক ঠিক রাখার ৯টি উপদেশ


গরমের এই সময়টা যে কতোটা অস্বস্তিকর তা বোধহয় কাউকে বলে দিতে হবেনা। উৎসব ছাড়াও প্রতিদিনই বাইরে বেরোতে হয়। রোদ আর গরমের ক্লান্তি সব কিছু মিলে ত্বকের অবস্থা নাস্তানাবুদ। তাই এসময় বাইরে বেরোনোর আগে এবং নিয়মিত কিছু বিষয় মেনে না চললে আপনার চেহারার উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এজন্য নিচের উপদেশগুলো মেনে চলার চেষ্টা করুন।

• গরমে হালকা অয়েল ফ্রি ধরনের কসমেটিক্স ব্যবহার করুন। ভুলেও ভারী মেকআপ করবেন না।
• সানস্ক্রিনের সুফল শতভাগ পেতে এর সাথে ফাউন্ডেশন মিশিয়ে লাগান।
• রোদের তাপ থেকে ত্বককে বাঁচাতে, বাইরে থেকে আসার সাথে সাথেই বরফ দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন।
• গরমে ক্রিম জাতীয় প্রসাধণী ব্যবহার করলে তা গলে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন পাউডার জাতীয় প্রসাধণী ব্যবহার করতে।
• গরমে ত্বক ঝকঝকে রাখার প্রথম ধাপ হলো ডিপ ক্লিনজিং। এজন্য বিউটি সোপের পাশাপাশি ক্লিনজার, স্ক্রাব ব্যবহার করুন।
• ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ক্ষার মুক্ত ক্রিম জাতীয় সাবান ব্যবহার করুন।
• প্রতিদিন ফ্লাওয়ার বেজ্‌ড স্কিন টনিক যেমন ল্যাভেন্ডার বা রোজ স্কিন টনিক (গোলাপজল) ফ্রিজে রেখে তুলা দিয়ে মুখের ত্বকে লাগাতে পারেন।

• গরমে ঠোটের সাজে লিপলাইনার বাদ দিতে পারেন। আর লিপকালার হিসাবে ব্যবহার করুন হালকা গোলাপী বা ব্রাউনের মতো ন্যাচারাল কোন কালার।
• নিয়মিতভাবে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করুন।

ফর্সা, উজ্জ্বল ত্বক পেতে যে খাবারগুলো খাবেন





ফর্সা, উজ্জ্বল ত্বক পেতে যে খাবারগুলো খাবেন

ত্বক ফর্সা কিংবা উজ্জ্বল দেখানোর জন্য কত জনই না কত কিছু করে। কেউ দামী প্রসাধনী লাগান আবার কেউ নিয়মিত পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার জন্য প্রকৃতিতেই আছে কিছু সমাধান। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কিছু খাবার খেয়েই বাড়ানো সম্ভব ত্বকের উজ্জ্বলতা। সেই সঙ্গে ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিবেশ দূষন থেকেও রক্ষা করা সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এমন ৫টি প্রাকৃতিক খাবার সম্পর্কে।


মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ। ভিটামিন এ ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে।
নিয়মিত মিষ্টি আলু খেলে ত্বকের লালচে ভাব কমে এবং উজ্জ্বল হলুদ আভা বৃদ্ধি পায়। ফলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও সতেজ।
টুনা ও স্যামন
সামুদ্রিক তেল যুক্ত টুনা ও স্যামন মাছে আছে বায়োটিন যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও এগুলোতে আছে ভিটামিন বি যা ফ্যাটি এসিড তৈরি করে এবং এমিনো এসিড মেটাবোলাইজ করে। এই মাছ গুলো নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করলে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায় সেই সঙ্গে কমে যায় ব্রণের উপদ্রব।
বাদাম
বাদামে আছে প্রচুর ভিটামিন ই, ফাইবার ও প্রোটিন। এই তিনটি উপাদান ত্বককে সজীব ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে এবং ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত। এছাড়াও ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর আলোর প্রভাব থেকে মুক্ত করে বাদাম। ফলে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।
সূর্যমূখীর বীজ
সূর্যমূখীর বীজে আছে প্রচুর ভিটামিন ই। ভিটামিন ই ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখে এবং ত্বকের পুরনো কোষ পরিষ্কার করে নতুন কোষ তৈরি করতে সহায়তা করে। এছাড়াও প্রকৃতির ক্ষতিকর নানান উপাদান থেকে ত্বককে রক্ষা করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে সূর্যমূখীর বীজ।
কমলার রস
কমলার রসে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বককে রক্ষা করে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিবেশের নানান ক্ষতিকর উপাদান থেকে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলোকে সজীব রাখে। ফলে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।

Monday, March 28, 2016

লিভারে চর্বি সমস্যা , পেটের মেদ কমানোর ব্যায়াম


লিভারে চর্বি সমস্যা , পেটের মেদ কমানোর ব্যায়াম

লিভারে চর্বি বা ফ্যাটি লিভার :সাম্প্রতিককালে ফ্যাটি লিভার নামক একটি রোগের প্রাদুর্ভাব প্রায়ই লক্ষণীয়। লিভার বা যকৃতের কোষসমূহে অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণেই ওই রোগ দেখা দেয়। প্রকারভেদ : ১। অ্যালকোহলিক (মদ্যপানজনিত) ফ্যাটি লিভার রোগ ২। নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগ (মদ্যপানজনিত নয় এমন কারণে ফ্যাটি লিভার রোগ)। যেহেতু এই রোগটিই আমাদের দেশে বেশি দেখা যায়, এই প্রবন্ধে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগটি আলোকপাত করা হলো।


লিভারে চর্বি জমার কারণ : শরীরের অতিরিক্ত ওজন, রক্তে চর্বির আধিক্য, ডায়াবেটিস, ইনসুলিন কার্যকরহীনতা ইত্যাদি। কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়ামবিহীন আরামপ্রদ জীবনযাপন এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস উপরোক্ত অবস্থাসমূহের প্রধান কারণ। লিভারে চর্বির অন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণসমূহ : মদ্যপান, হেপাটাইটিস সি, উইল্সন ডিজিজ, অনেক দিন ধরে উপবাস, হরমোনজনিত রোগ- হাইপোথাইরয়েডিজম, হাইপোপিটুইটারিজম, কিছু ওষুধ যেমন- এমিয়োডেরন, স্টেরয়েড, মেথোট্রেক্সেট, টেমোক্সিফেন, ভেলপ্রোয়েট ইত্যাদি। বিভিন্ন গবেষণাপত্রে রোগটির ব্যাপকতা দেখানো হয়েছে। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, স্থ‚ল দেহ (বি এম আই > ৩০)- ৯৪% লোক রোগাক্রান্ত, অতিরিক্ত ওজন (বি এম আই > ২৫)- ৬৭% লোক রোগাক্রান্ত, স্বাভাবিক ওজন- ২৫% লোক রোগাক্রান্ত,  ডায়াবেটিস রোগী- ৪০-৭০% লোক রোগাক্রান্ত। (বি এম আই) =   শরীরের ওজন (কেজি)/উচ্চতা (মিটার) ২। আমাদের দেশে সাধারণ হিসাবে শতকরা ১৮ থেকে ২০ ভাগ মানুষ ওই রোগে ভুগছেন।
রোগটি কীভাবে অগ্রসর হয়?
লিভারে চর্বি (Steatosis) > কোষসমূহে চর্বিজনিত প্রদাহ (Steatoepatitis) > ক্রমবর্ধমান লিভারে ফাইব্রোসিস > লিভার সিরোসিস > লিভার ক্যান্সার।
ফ্যাটি লিভার রোগের জটিলতায় ক্ষয়ক্ষতি : লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার, হৃদরোগজনিত ঝুঁকি বৃদ্ধি। রোগটির লক্ষণগুলো কী কী? ক) বেশির ভাগ রোগীই লক্ষণহীন থাকেন এবং সাধারণত ঘটনাক্রমে রোগটি নির্ণীত হয়। লিভার ফাংশন টেস্টে অস্বাভাবিকতা বা লিভার সাইজ বড় হওয়া বা অন্য রোগের জন্য পরীক্ষা করার সময়ে বিশেষত আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে রোগটি ধরা পড়ে। খ) কারও কারও পেটের ডান দিকে উপরি অংশে একটু ভার ভার বা হালকা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। কেউ বা শারীরিক দুর্বলতার অভিযোগ করে থাকেন। গ) কখনো কখনো রোগী ফ্যাটি লিভার রোগের জটিলতা নিয়ে আসতে পারেন (যেমন লিভার সিরোসিস ও তার জটিলতাসমূহ, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি।)
ফ্যাটি লিভার রোগীর কী কী পরীক্ষা করা প্রয়োজন?
১। রক্ত পরীক্ষা : কোনো নির্দিষ্ট একটি পরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করা যায় না। কিছু লিভার এনজাইম যেমন- ALT, AST, ALP, GGT মাত্রা বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে ALT এনজাইম, AST এর তুলনায় বাড়তি থাকবে, যা অ্যালকোহলিক লিভার রোগের বিপরীত। সন্নিহিত কিছু রক্ত পরীক্ষা যেমন Viral Marker- HBsAg, Anti HCV, রক্তে চর্বির মাত্রা, রক্তে গ্লুকোজ মাত্রা, থাইরয়েড হরমোন ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত। ২। আলট্রাসনোগ্রাফি : এটি ফ্যাটি লিভার নির্ণয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। ৩। সিটিস্ক্যান : ওই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমেও ফ্যাটি লিভার নির্ণয় করা যায়। ৪। ফাইব্রোস্ক্যান লিভার : ওই পরীক্ষার মাধ্যমে লিভারের নমনীয়তা দেখা হয় এবং লিভার কোষের চর্বি জমার আপাত পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। ওই পরীক্ষা দ্বারা রোগটির ক্রমঅগ্রসরমানতা চেক করা যায়। ৫। লিভার বায়োপসি : এ পরীক্ষাটি গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড, যার মাধ্যমে লিভার কোষসমূহে চর্বি, চর্বিজনিত প্রদাহ ও ফাইব্রোসিস ব্যাপ্তি দেখা যায়। কিছু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে পরীক্ষাটির প্রয়োজন হয়।
চিকিৎসা : ফ্যাটি লিভার রোগের চিকিৎসায় দুটি দিক থাকে যেমন- ১. লিভার রোগের চিকিৎসা ২. রোগটির সন্নিহিত অবস্থানগুলো নির্ণয় ও চিকিৎসা, যেমন- শরীরের স্থ‚লতা, চর্বির আধিক্য, ডায়াবেটিস ইনসুলিন অকার্যকর, কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকিসমূহ ইত্যাদি।
কী করণীয়? > বর্তমানে ফ্যাটি লিভারের জন্য দরকার শরীরের ওজন কমানো, দৈনন্দিন ব্যায়াম। তাই কম ক্যালরিযুক্ত আঁশসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। > শরীরের ওজন স্বাভাবিক রাখতে সচেষ্ট হতে হবে। শরীরের ৫-১০% ওজন কমালে লিভারের চর্বি ও চর্বিজনিত প্রদাহ যথেষ্ট পরিমাণে কমে এবং লিভারের এনজাইমগুলো স্বাভাবিক হয়। তবে মনে রাখতে হবে অতি দ্রুত শরীরের ওজন কমানো ঠিক নয়। > সুষম কম ক্যালরিযুক্ত আঁশসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। যেমন- সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, ইত্যাদি। উচ্চ শর্করা বা চর্বিসমৃদ্ধ খাবার যেমন- ঘি, মাখন, পনির, লাল মাংস, মাছের ডিম, বড় মাছের মাথা বর্জনীয়। এতে শরীরের পরিপাক সঠিক হয় এবং ওজন ঠিক রাখতে সহায়তা করে। > সর্বতোভাবে নেশাজাতীয় দ্রব্য বর্জন করতে হবে। মদ্যপান ত্যাগ করুন। > ফাস্টফুড, কার্বোনেটেড চর্বি বা শর্করা সমৃদ্ধ ড্রিংকস, চকোলেট বর্জনীয়। > দৈনিক শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়াম শরীরের ওজন ও লিভারের চর্বি কমায়। তাই রোজ ঘণ্টাখানেক ঘাম ঝরিয়ে হাঁটতে চেষ্টা করুন। > ডায়াবেটিস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় কী ওষুধ ব্যবহার করা হয়? বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো ওষুধই জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তনের চেয়ে অর্থাৎ দৈনন্দিন ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের বেশি কার্যকর নয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত ওষুধ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ব্যবহার করা হয় যেমন- ভিটামিন-ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। রক্তে চর্বির আধিক্য কমাতে স্টাটিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ফ্যাটি লিভারে রোগ হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। খুব কম সংখ্যক রোগীরই জটিলতা তৈরি হয় এবং ভালো হতে অনেক সময় লাগতে পারে। তাই ভালো থাকার জন্য শরীরের ওজন স্বাভাবিক রাখুন। দৈনন্দিন ব্যায়ামের অভ্যাস করুন, রোগমুক্তি আসবেই আসবে।

Sunday, March 27, 2016

আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে এমন ১১ টি খাবার

চিনে নিন আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে এমন ১১ টি খাবার

চিনে নিন আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে এমন ১১ টি খাবার

ত্বকের পরে লিভার মানবদেহের দ্বিতীয় বৃহত্তম অঙ্গ যার ওজন প্রায় ৩ পাউন্ডের মত। হজমক্রিয়া পরিচালনা, বিপাকক্রিয়া, অনাক্রম্যতা এবং দেহে বিভিন্ন পুষ্টির সঞ্চয় ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে এই লিভার। বিশেষ এই অঙ্গটি দেহের কোষে প্রয়োজনীয় শক্তি এবং পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে যেগুলো মানবদেহের কোষগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে সহায়তা করে।


এটি রক্তনালী থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয় এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে বলে জানান মিসিসাউগা থেকে হোলিস্টিক পুষ্টিবিজ্ঞানী হারমিট সিউড়ি। লিভারের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে সচল রাখতে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা করতে যে খাবারগুলো খাওয়া প্রয়োজন।
১. রসুন :
রসুন লিভারকে এনজাইম তৈরিতে সহায়তা করে যা শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এছাড়া রসুনে প্রচুর পরিমাণে অ্যালিসিন এবং সেলেনিয়াম নামক দুটি প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে যা লিভার পরিপাকে সহায়তা করে।
২. গ্রিন টি :
গ্রিন টিতে থাকা ক্যাটচিন নামক এক ধরনের উদ্ভিজ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লিভারের সামগ্রিক কাজ পরিচালনাকে সহায়তা করে থাকে। তাই এই গ্রিন টি খাওয়া লিভারের জন্য বেশ উপকারি।
৩. জাম্বুরা :
জাম্বুরা ফলটি সরাসরি বা জুস করে খেলে তা ক্যান্সার উৎপাদক উপাদান এবং টক্সিন নির্মূলে লিভারকে সহায়তা করে থাকে। এই ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারি।
৪. শালগম :
শালগমে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে যা লিভারের সার্বিক কাজে সহায়তা করে থাকে।
৫.সবুজ শাক :
সবুজ শাকে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আমাদের দৈনন্দিন অন্যান্য খাবারে থাকা রাসায়নিক পদার্থ এবং কীটনাশকের সামঞ্জস্যতা রক্ষা করে থাকে যা লিভারের জন্য বেশ উপকারি।
৬. আভাকাডো :
আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় আভাকাডোর পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে তা আপনার দেহে গ্লুটাথায়ন নামক এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট তৈরি করে যা লিভারকে বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে বের করে দিতে সহায়তা করে।
৭. ব্রোকলি :
ব্রোকলি দেহে গ্লুকোসিনোলেট উপাদানের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যেটি হজমে সহায়ক এনজাইম তৈরি করে।
৮. লেবু :
এই বিষয়ে আমরা সবাই নিশ্চয়ই জানি যে সাইট্রাস জাতীয় ফল লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা আমাদের দেহের জন্য বেশ উপকারি। কিন্তু এছাড়াও লেবু দেহের বিভিন্ন টক্সিন নির্মূল এবং হজমে সহায়তা করে থাকে।
৯. হলুদ :
মসলা হিসেবে হলুদ খেলে তা আমাদের শরীরে হজমে এবং পিত্তথলী পরিস্কার রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এটি লিভারের প্রাকৃতিক ডেটক্স হিসেবে কাজ করে। মূল্যবান অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর হলুদ লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে হেপাটাইটিস বি এবং সি এর ভাইরাস নির্মূলেও এই হলুদ অত্যন্ত সহায়ক।
১০. আখরোট :
আখরোটে গ্লুটাথায়ন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা লিভার পরিস্কার রাখতে সহায়তা করে।
১১. আমলকি :
আমলকির অনেক গুণাগুণ রয়েছে। আমলকি লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং হজমে সহায়তা করে।

পেটের মেদ কমাতে ৮টি কৌশল


পেটের মেদ কমাতে ৮টি কৌশল
একটু বাড়তি ওজন দেখতে বেশি খারাপ না লাগলেও পেটের মেদ দেখতে একটু বেশিই খারাপ লাগে। কিন্তু এই পেটের মেদ আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। একটু-আধটু মেদ সাধারণ ডায়েট এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে কমিয়ে ফেলা যায়। কিন্তু বেশি মেদ জমলেই সমস্যা। কিছুতেই পিছু ছাড়তে চায় না। বরং বাড়তেই থাকে এই পেটের মেদ। কিন্তু এই জমে থাকা মেদ নিয়ে তো বসে থাকা যায় না। মেদ কমানোর উপায় বের করতে হবে। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল পেটের মেদ দ্রুত ও সহজে কমানোর ৮টি দারুণ “অব্যর্থ” কৌশল।


দিন শুরু করুন লেবু গরম পানি দিয়ে
সকালে খালি পেটে খান এক গ্লাস লেবু পানি। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক ফালি লেবু চিপে নিয়ে এতে ১ চিমটি লবণ মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। প্রতিদিন নিয়ম করে পান করুন এই লেবু গরম পানি। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড এবং গরম পানি উভয়ই পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করবে।
rupcare_belly fat reduction2ভাত খাওয়া বন্ধ করুন
ভাত খেলে পুরোটাই পেটে মেদ হিসেবে জমা হয়। ভাতের পরিবর্তে লাল আটার রুটি খান। মেদ কমবে। যদি নিতান্তই ভাত খেতে হয় তবে এক কাপের বেশি ভাত খাবেন না।
চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
যেসব খাবারে চিনি রয়েছে সেসব খাবার খাওয়া বন্ধ করুণ। চিনি জাতীয় খাবার পেটে মেদ জমায়। চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করুণ।
দৈনিক ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন
যদি পেটের মেদ দ্রুত কমাতে চান তবে অবশ্যই প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। পানি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং দেহের টক্সিন দূর করে পেটের মেদ কমতে সাহায্য করে।
নিয়মিত কাঁচা রসুন খান
গন্ধের কারণে অনেকেই কাঁচা রসুন থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু যদি দ্রুত পেটের মেদ কমাতে চান তবে নিয়মিত কাঁচা রসুন খাবেন। কাঁচা রসুন দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও মেদ ক্ষয় হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ২/৩ কোয়া রসুন খাবার অভ্যাস করুণ।
শাকসবজি খাবার অভ্যাস করুনrupcare_belly fat reduction1
অনেকরই মাছ-মাংসের প্রতি আগ্রহ থাকে বেশি। এবং সবজি খাবার কথায় অনীহা প্রকাশ করেন। কিন্তু মাছ মাংসে প্রোটিনের পাশাপাশি ফ্যাট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে যা দেহে মেদ জমায়। শাকসবজিতে আছে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং পরিমিত ফাইবার। তাই পেটে মেদ জমতে দিতে না চাইলে শাকসবজি খান। মাছমাংস খাবার পরিমাণ কমিয়ে দিন।
মৌসুমি ফলমূল খান
সকালে, দুপুর, বিকাল এবং রাতের খাবারের তালিকায় ১ বাটি ফল রাখুন। এতে আপনার কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট কম খাওয়া হবে। ফলে আপনি দ্রুত মেদ কমাতে সক্ষম হবেন। অনেকে মনে করেন ফলের চাইতে ফলের জুস খাওয়া ভালো। কিন্তু ফলের জুস ফ্যাট বাড়ায়। কারণ জুসে ফলের কোন ফাইবার থাকে না এবং স্বাদের জন্য এতে কিছুটা মিষ্টি যোগ করা হয়। সুতরাং ফলেরজুসের পরিবর্তে ফল খান।
খাবারে যোগ করুন কিছু মসলা
দারুচিনি, আদা, গোল মরিচ জাতীয় মসলা যুক্ত খাবার খান। এইসব মসলা দেহের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। রান্নায় দারুচিনি, আদা ও গোল মরিচ যোগ করে রান্নার স্বাদের মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি কমিয়ে নিতে পারেন পেটের মেদ।

৭ টি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা দূর করবে


৭ টি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা দূর করবে মাত্র আধা কাপ আঙুর

৭ টি মারাত্মক শারীরিক সমস্যা দূর করবে মাত্র আধা কাপ আঙুর

দেহকে সুস্থ রাখার অনেক উপাদান প্রকৃতি আমাদের দিয়েছে। আঙুর এমনই একটি অসাধারণ সুপার ফুড হিসেবেই পরিচিত। খুব সাধারণ দেখতে এই আঙুর ভিটামিন এ, বি৬, বি, ফোলেট, পটাশিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি মিনারেলসে ভরপুর।
আর একারণেই প্রতিদিন মাত্র আধাকাপ পরিমাণে আঙুর দূর করার ক্ষমতা রাখে নানা শারীরিক সমস্যা। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন মাত্র আধা কাপ আঙুর।

১) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে –
আঙুরের পাতলা খোসায় রেসভেরাট্রোল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানের দেখা মেলে। গবেষণায় দেখা যায় এই রেসভেরাট্রোল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠন করতে বাঁধা প্রদান করে থাকে।
২) হাড়ের সুস্থতায় আঙুর –
অ্যামেরিকান সোসাইটি অফ বোন অ্যান্ড মিনারেলস রিসার্চের মতে আঙুর মাইক্রো নিউট্রিইয়েন্টস যেমন, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ম্যাংগানিজে ভরপুর একটি ফল যা হাড়ের গঠন এবং মজবুত হওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরী। ডাক্তাররা বলেন প্রতিদিন আঙুর খেলে হাড়ের যেকোনো ধরণের সমস্যা এবং বয়সজনিত রোগ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব বিশেষ করে হাড় ক্ষয় এবং বাতের ব্যথা জাতীয় সমস্যা।
৩) হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে আঙুর –
আঙুরের ফাইটোকেমিক্যাল হৃদপিণ্ডের পেশির ক্ষতি নিজ থেকেই পূরণে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে। প্রতিদিন আঙুর খেলে হৃদপিণ্ডের সুস্থতা এবং দেহের কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
৪) হজমে সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আঙুর –
অর্গানিক এসিড, চিনি এবং সেলুসাস যা লেক্সাটিভের উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী যা আঙুরের মধ্যে বিদ্যমান। এছাড়াও আঙুরে প্রচুর পরিমাণে ইনস্যলুবেল ফাইবার রয়েছে যা আমাদের পরিপাকনালী পরিষ্কার রাখে।ডাক্তাররা কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের নিয়মিত আঙুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
৫) দৈহিক দুর্বলতা প্রতিরোধে আঙুর –
রক্তস্বল্পতা বা রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতা আমাদের দেশে খুব সাধারণ একটি ব্যাপার। রক্তসল্পতার কারণে দুর্বলতা, অল্পতেই হাপিয়ে উঠার প্রবণতা দেখা দেয়। এই সমস্যার সমাধান করে আঙুর। আঙুরের আয়রন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় মিনারেল রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। সুতরাং প্রতিদিন আঙুর খাওয়ার অভ্যাস করুন।
৬) কিডনির সমস্যা দূর করতে আঙুর –
আঙুরের ইউরিক এসিডের এসিডিটি কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্র থেকে এসিডের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং কিডনির ওপর চাপ কমায়। এছাড়া আঙুর পানি জাতীয় ফল হওয়ার কারণে কিডনি পরিস্কারের কাজে সাহায্য করে এবং কিডনির যেকোনো সমস্যা থেকে আমাদের মুক্ত রাখে।
৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে আঙুর –
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত থাকলে দেহে কোনো রোগ বাসা বাঁধতে পারে না। আঙুরে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্লেভানয়েড, মিনারেল, ভিটামিন সি, কে এবং এ। এইসবই আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন আঙুর খাবার অভ্যাস করুন।

সুস্বাদু ফ্রাইড রাইস


ভাত দিয়ে তৈরী করুন সুস্বাদু ফ্রাইড রাইস

ভাত দিয়ে তৈরী করুন সুস্বাদু ফ্রাইড রাইস

রাতে সবার খাওয়া শেষে প্রায়ই দেখা যায় হাড়িতে অনেক ভাত রয়ে গেছে। অনেকেই এ ভাতটুকু ফেলে দেয়। কিন্তু অপচয় না করে পরদিন সকালের নাস্তায় এটি দিয়ে তৈরী করতে পারেন পরিবারের সকলের পছন্দের চিকেন/মাটন ফ্রাইড রাইস।


চিকেন/মাটন ফ্রাইড রাইস
যা লাগবে:
  •  চার/পাঁচ কাপ ঠান্ডা ভাত
  •  দুটি ডিম
  •  আধা কাপ সেদ্ধ মুরগীর মাংসের ছোট ছোট ঠুকরা
  •  আধা কাপ কুচানো পিঁয়াজ
  •  আধা চামচ চিনি
  •  দুই বড় চামচ সয়া সস
  •  চার চামচ তেল
প্রণালী:
দুইটি ডিম দিয়ে ওমলেট বানিয়ে ওমলটেটি কুচি কুচি করে কেটে রাখুন। কড়াইতে তেল দিয়ে পিঁয়াজ ছেড়ে দিয়ে হালকা লাল করে ভেজে নিন। এর ওপর ভাত ঢেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন। ভাতের মধ্যে সয়া সস, চিনি দিয়ে দিন। আচের ওপর রেখে ভাল করে মিশিয়ে নিন। মুরগীর মাংসের টুকরা, ওমলেটের টুকরা ভাতের মধ্যে দিয়ে আরও একটু সময় নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন সাধারণ ভাত দিয়ে তৈরী সুস্বাদু ফ্রোইড রাইস। মুরগীর মাংসের বদলে মাটনের টুকরাও ব্যবহার করতে পারেন।
*ফ্রাইড রাইসের ভাত অনেক আগে তৈরৗ করে ঠান্ডা করে নেবেন। একটু শক্ত করে ভাত রান্না করবেন।

কুড়মুড়ে চাইনিজ ফ্রিশ ফ্রাই


ভিন্ন স্বাদে কুড়মুড়ে চাইনিজ ফ্রিশ ফ্রাই

ভিন্ন স্বাদে কুড়মুড়ে চাইনিজ ফ্রিশ ফ্রাই

এই বৃষ্টি বাদলার দিনে একটু মুচমুচে আর মজাদার নাহলে কি চলে? পাকোড়া কিংবা চিকেন ফ্রাই তো অনেক খেয়েছেন, আজ জেনে নেই ফিশ ফ্রাইয়ের রেসিপি। চাইনিজ এই ফিশ ফ্রাইয়ে ব্যবহার করা হয় সুজি। স্ন্যাক্স হিসাবে খেতে যেমন মজাদার, তেমনই ভালো লাগবে ফ্রাইড রাইস কিংবা ভাত-খিচুড়ির সাথে। কাঁটা নেই বলে বাচ্চারাও খাবে শখ করে। আসুন, জেনে নেই চমৎকার রেসিপিটি।

‘চাইনিজ ফ্রিশ ফ্রাই’

উপকরণ-

মাছের ফিলে (বোনলেস মাছের টুকরো দিয়েও হবে)- আধা কেজি
সয়াসস-৪ টেবিল চামচ
ওয়েস্টার সস- ১ টেবিল চামচ
গোল মরিচ গুঁড়ো- ১ চা চামচ
টেস্টিং সল্ট- স্বাদমত
আদা ও রসুন বাটা- ১ চা চামচ করে
ডিম- ১ টি
বিস্কিটের গুঁড়ো- ১/২ কাপ
হালকা লাল করে ভাজা সুজি- ১/২ কাপ
তেল- ভাজার জন্য।

প্রণালি-

  • -মাছের ফিলেকে লম্বা লম্বা পাতলা করে কেটে নিন।
  • -সুজি ও বিস্কিটের গুঁড়ো বাদে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট।
  • -তেল গরম করুন। এই ফাঁকে সুজি ও বিস্কিটের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এর সাথে দিতে পারেন অল্প সাদা তিল।
  • -মাছের টুকরোগুলোকে সেই মিশ্রণে গড়িয়ে মাঝারি আঁচে ডুবো তেলে ভেজে তুলুন।
  • -ব্যাস, তৈরি চাইনিজ ফিশ ফ্রাই

ঘরে বসেই চাইনিজ খাবার


ঘরে বসেই চাইনিজ সব খাবার

ঘরে বসেই চাইনিজ সব খাবার

চাইনিজ খেতে সবাই পছন্দ করে। গতানুগতিক বাঙালী স্বাদে ভিন্ন টুইস্ট আনতে চাইনিজ খাবারের জুড়ি নেই। তবে সবসময় তো আর রেস্টুরেন্টে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই ঘরে বসেই বানাতে পারবেন এমন ৩টি চায়নিজ খাবারের রেসিপি জেনে নিন।


থাই ক্যাশোনাট সালাদ
rupcare_chinese food2
উপকরণ
চিংড়ি ১ কাপ, মুরগির মাংস কিউব করে কাটা ১ কাপ, পেঁয়াজকলি কুচি আধা কাপ, টেস্টিং সল্ট ১ টেবিল চামচ, সয়াসস ১ টেবিল চামচ, কাজুবাদাম ভাজা আধা কাপ, টমেটো ১ কাপ, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ফিশসস ২ চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কারিসস ২ টেবিল চামচ, ম্যাগিসস ১ চা চামচ, লেবুর রস ২ চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১.প্রথমে মাংস, লবণ, টেস্টিং সল্ট, সয়াসস, ময়দা এক সঙ্গে মেখে ১০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন।
২.এবার ময়দা ঝেড়ে ফেলে মাংস তেলে মচমচে করে ভেজে নিন।
৩.চিংড়ি মাছও অল্প ভাজুন। কাজুবাদামও ভেজে নিন।
৪.এবার মাংস, কাজুবাদাম, চিংড়ি, পেঁয়াজকলি কুচি, টেস্টিং সল্ট, সয়াসস, টমেটো, ধনেপাতা, চিনি, ফিশসস, পেঁয়াজ কুচি, কারিসস, লেবুর রস একসঙ্গে মেখে পরিবেশন করুন।

সুইট অ্যান্ড সাওয়ার প্রন
rupcare_chinese food3
উপকরণ
চিংড়ি ২৫০ গ্রাম, ময়দা আধা কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ৫ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, ডিম ১টি, পানি ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, টমেটো সস আধা কাপ, পানি ৩ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, সিরকা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকলি ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৪টি, পানি আধা কাপ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১. চিংড়ি মাছ কেটে পরিষ্কার ধুয়ে নিন।
২. ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ, ডিম, পানি, আদা, রসুন, বেকিং পাউডার, টেস্টিং সল্ট একসেঙ্গে মেখে গোলা তৈরি করুন।
৩. কড়াইয়ে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভেজে নিন।
৪. এবার টমেটো সস, পানি, চিনি, লবণ, বাকি কর্নফ্লাওয়ার, সাদা সিরকা একসঙ্গে মিশিয়ে সস বানিয়ে নিন।
৫. ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে পেঁয়াজকলি ভাজুন।
৬. পেঁয়াজকলি ভাজা হলে এর মধ্যে মাছ দিন।
৭. কাঁচা মরিচ ও সস ঢেলে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলুন।

থাই চিকেন ফ্রাই
rupcare_chinese food4
উপকরণ
মুরগির মাংস ১ কেজি, রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা আধা চা চামচ, এলাচ গুড়ো আধা চা চামচ, দারচিনি গুড়ো আধা চা চামচ, সয়াসস ৩ টেবিল চামচ, ফিশ সস ১ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো,সয়াবিন তেল ১ কাপ ।
যেভাবে তৈরি করবেন
১.মুরগির কেটে পরিষ্কার করে কাটা চামচ দিয়ে কেচে নিন।
২.এবার কাপড় দিয়ে মুরগি মুছে পানি শুকিয়ে রসুন, আদা, জিরা, এলাচ-দারচিনি, সয়াসস, ফিশ সস, টেস্টিং সল্ট, চিনি, মরিচ গুঁড়া দিয়ে মেখে ১ ঘণ্টা মেরিনেট করে রাখুন।
৩.এবার ডুবো তেলে ভেজে তুলে ফয়েল পেপার দিয়ে কিছু অংশ ঢেকে পরিবেশন করুন।

Saturday, March 26, 2016

ভারতের বিখ্যাত খাবার "পাও ভাজি"


ভারতের বিখ্যাত খাবার দারুণ সহজ রেসিপি”পাও ভাজি”র

ভারতের বিখ্যাত খাবার "পাও ভাজি”র  দারুণ সহজ রেসিপি

পাও ভাজি ভারতের এক বিখ্যাত খাবার। পাও হল বড় বড় গোল রুটি, আর ভাজি বলতে বিভিন্ন সবজি দিয়ে বিশেষ ভাবে তৈরি করা এক ধরনের ভাজিকে বোঝায়, যা খেতে অসাধারণ। সাধারণত পাও ভাজি হোটেল থেকেই কিনে খাওয়া হয়, ভারতে গেলে সব ভোজন রসিকই একবার হলেও চেখে আসেন এর স্বাদ। তবে চাইলে বাড়িতেও তৈরি করা যায় এই মজাদার খাবার। আপনারা যাতে বাড়িতে বসে মজাদার এই পাও ভাজির স্বাদ নিতে পারেন তাই আজ রইলো পাও ভাজি তৈরির সহজ রেসিপি।


উপকরণ
আলু সিদ্ধ – ৫০০ গ্রাম
সিদ্ধ করা মটরশুঁটি বাটা – ১ কাপ
মাখন –১৫০ গ্রাম
কাঁচা মরিচ কুচি – ২ টি
আদা কুচি – ২ চা চামচ
রসুন কুচি – ২ চা চামচ
টমেটো কুচি – ১ কাপ
শুকনা মরিচের গুঁড়া – ২ চা চামচ
পাও ভাজি মশলা – ১ টেবিল চামচ ( বড় সুপার শপে প্যাকেটে কিনতে পাওয়া যায়)
ধনে পাতা কুচি – ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস – ১ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি – বড় ১ টি
লবন – স্বাদ মতো
বার্গারের গোল রুটি – ৪ টি
প্রনালি-
-আলু সিদ্ধ খোসা ছাড়িয়ে হালকা হাতে মেখে নিন। একটি বড় তাওয়াতে ১০০ গ্রাম মাখন দিয়ে কাঁচা মরিচ কুচি ও আদা, রসুন কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন । একটু বাদামী রঙ হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন ।
-এবার টমেটো কুচি , শুকনা মরিচের গুঁড়া ও পাও ভাজি মশলা দিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন । কিছু সময় পর আলু সিদ্ধ , মটরশুঁটি বাটা , আধা কাপ পানি ও ২ টেবিল চামচ মাখন দিয়ে খুব ভাল করে নাড়তে থাকুন । স্বাদ মতো লবন দিয়ে দিন ।
-এবার বার্গারের রুটির মাঝখান থেকে চিরে দুই দিকে মাখন লাগিয়ে আর একটি তাওয়ায় ভাল করে সেঁকে নিন ।
-সবজি বেশ ঘন হয়ে আসলে পরিবেশন ডিসে নামিয়ে উপরে পেঁয়াজ কুচি , ধনে পাতা কুচি ও লেবুর রস দিয়ে সেঁকে রাখা পাওয়ের সাথে পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের জনপ্রিয় খাবার পাও ভাজি ।

ওজন কমানোর দারুণ “রেসিপি”

ওজন কমানোর দারুণ চটজলদি সুস্বাদু “রেসিপি”

ওজন কমানোর দারুণ চটজলদি সুস্বাদু “রেসিপি”
দিন দিন মুটিয়ে যাচ্ছেন, কিছুতেই ওজন থাকছে না নিয়ন্ত্রণে? কিংবা ওজনটা বেশ কয়েক কেজি কম করতে চান? তাহলে আপনার জন্যই আজ রইলো একটি বিশেষ রেসিপি। দারুণ মজাদার এই খাবারটি লাঞ্চ ও ডিনারের পরিবর্তে খান দিনে দুই বেলা। অল্প কয়েকদিনেই দেখবেন ওজনটা কমে শরীর একদম ঝরঝরে হয়ে গেছে। আর ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ডিনারের বদলে খান এই স্যুপটি। এতে ক্যালোরি খুব সামান্য, অথচ পেট ভরা রাখে বহুক্ষণ। নানান পুষ্টি উপাদান আছে বিধায় আপনিও থাকবেন সুন্দর।
চমৎকার এই রেসিপিটি দিয়েছেন সায়মা ।
উপকরণঃ
চিকেন/ভেজিটেবল স্টক ১ কাপ
সিদ্ধ নুডুলস ১/২ কাপ
সিদ্ধ সবজি পছন্দ মত
রশুন কুচি
লেবুর রস ২ টেবিল চামচ
সিদ্ধ ডিম ১ টা
অল্প ধনিয়া পাতা কুচি
লেমন গ্রাস স্টিক ( থাই পাতা ) কয়েকটা
লবণ স্বাদ মত
অল্প অলিভ অয়েল
প্রণালি-
-এই স্যুপের প্রধান উপকরণ হল চিকেন/ভেজিটেবল স্টক। এর জন্য ৩ কাপ পানিতে ২ কাপ পরিমান মুরগির হাড্ডি (মাংশ সহ নিতে পারেন, হাড্ডি গুলো একটু ছেঁচে দেবেন), পেয়াজ টুকরো, রশুন কয়েক কোয়া, আদা টুকরা, আস্ত গোলমরিচ, অল্প লবণ দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন কম্পখে ১ ঘণ্টা।
-পানিটা শুকিয়ে ১ কাপ এর আরেকটু বেশি থাকা অবস্তায় নামিয়ে নিন। শুধু পানিটা ছেঁকে নেবেন। (বাকি রয়ে যাওয়া মাংস আপনি অন্য যেকোনো খাবারে ব্যবহার করতে পারবেন। ভেজিটেবল স্টকও একই ভাবে বানাতে পারেন।)
-এবার একটা হাড়িতে ১ কাপ স্টক দিন। সাথে সিদ্ধ সবজি, রশুন কুচি, লেবুর রস, ধনিয়া পাতা কুচি, লেমন গ্রাস স্টিক (থাই পাতা ), লবণ দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন। এরপর সিদ্ধ নুডুলস দিয়ে রান্না করুন আরও ২ মিনিট। ব্যাস, তৈরি আপনার স্যুপ।
-নামিয়ে বাটিতে নিয়ে উপরে হাল্কা অলিভ অয়েল ছিটিয়ে দিন। (অলিভ ওয়েল হজম ক্ষমতা বাড়ায়) উপরে সিদ্ধ ডিম আর টালা গোল মরিচ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এই স্যুপ।

খাবারে বেশি ঝাল হয়ে গেছে?


খাবারে বেশি ঝাল হয়ে গেছে? জেনে নিন বাড়তি ঝাল কমানোর দারুণ ৯টি উপায়

খাবারে বেশি ঝাল হয়ে গেছে? জেনে নিন বাড়তি ঝাল কমানোর দারুণ ৯টি উপায়

ভুল করে খাবারে ঝাল বেশি দিয়ে ফেলেছেন, এখন মুখেই দেয়া যাচ্ছে না? দুশ্চিন্তার কিচ্ছু নেই, খাবার থেকে বাড়তি ঝাল কমিয়ে ফেলার জন্য আছে দারুণ কিছু উপায়। ঝোল হোক, ভুনা হোক, স্যুপ হোক ভাজাপোড়া হোক বা চাইনিজ খাবার; সব ধরণের খাবার থেকেই ঝাল কমিয়ে ফেলার জন্য জেনে নিন দারুণ কিছু টিপস।


১) খাবারটি যদি স্যুপ বা ঝোল জাতীয় কিছু হয়ে থাকে, তবে এতে যোগ করুন আরও পানি এবং কয়েক টুকরো আলু। এই আলু পরে তুলে ফেলেও দিতে পারেন, আবার খেতেও পারেন। ঝাল অনেকটাই কমে আসবে।
২) যদি ফ্রাইড রাইস বা ন্যুডুলস জাতীয় কোন খাবার হয়ে থাকে, তাহলে আরও রাইস বা নুডুলস সিদ্ধ করে এতে যোগ করুন। মাংস বা সবজিও যোগ করতে পারেন।, ঝাল কমে আসবে।
৩) দুধ বা টক দই ঝাল কমানোর জন্য দুটি দারুণ উপাদান। যে ধরণের ঝোল বা ভুলার তরকারিতে দুধ বা টক দই যোগ করুন, ১৫/২০ মিনিট দমে রাখুন। ঝাল একদম কমে আসবে।
৪) কোন কিছু মেরিনেট করেছিলেন ভাজবেন বলে, এখন সেটায় ঝাল বেশি মনে হচ্ছে। জিনিসটা স্রেফ পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মশলা যা ফেতরে যাওয়ার চলে গেছে, পানিতে ডুবালে ঝাল কমে আসবে। আবার যে ব্যাটারে ডুবিয়ে ভাজবেন, সেটায় ঝাল কম দিন। ব্যালান্স হয়ে যাবে।
৫) কোন কিছু ভাজবেন, ব্যাটারে ঝাল বেশি হয়ে গেছে? দুধ মিশিয়ে দিন, ঝাল কমে যাবে।
৬) লেবুর রস ঝাল কমাতে সহায়ক। যে কোন খাবারে ঝাল কমাতে লেবুর রস দিতে পারেন।
৭) ভাজা খাবারে ঝাল বেশি হয়েছে? সাথে পরিবেশন করুন টক দইয়ের রায়তা। ঝাল কেউ ধরতেই পারবে না।
৮) যে কোন ধরণের ঝোল বা ভুনা, বিরিয়ানি, রোস্ট, রেজালা ইত্যাদি খাবার ঠেলে ঝাল কমাতে যোগ করুন বাদাম বাটা বা মালাই। ঝাল একেবারেই থাকবে না।
৯) চিনি যে কোন ঝালকেই ব্যালান্স করে আনে। আর কিছু না থাকলে চিনিটাই ব্যবহার করুন!

বৈশাখী দিনে ঢাকাই রান্না


আসছে বৈশাখ তাই শিখে নিন বৈশাখী দিনে ঢাকাই রান্না

আসছে বৈশাখ তাই শিখে নিন বৈশাখী দিনে ঢাকাই রান্না

দেশি ঢংয়ে নানা রান্নাবান্না তো হবেই পয়লা বৈশাখের দিন; ঢাকাই রান্নাও দেখে নিন। আর ঢাকাই রান্না মানেই কিন্তু বেশি ঝাল-মসলা আর তেলের বিরিয়ানি, মাংস নয়। সিতারা ফিরদৌস দিয়েছেন গরমে খেতে ভালো লাগে এমন কিছু পদ।


তরমুজের ঠান্ডাই
উপকরণ:
তরমুজ কুচি ৪ কাপ, চিনি আধা কাপ, বরফ কুচি আধা কাপ। চাইলে জাফরান ও গোলাপজল মেশানো যায়।
প্রণালি:
তরমুজ কুচি ও চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে দুই ঘণ্টা রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন। বের করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
দই-বেগুন
উপকরণ:
মাঝারি বেগুন দুটি, টকদই আধা কেজি, পুদিনাপাতা বাটা ১ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, বিটলবণ আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল সামান্য ও হলুদ গুঁড়া সামান্য।
প্রণালি:
বেগুন ধুয়ে পাতলা করে কেটে সামান্য হলুদ, লবণ ও চিনি মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ফ্রাইপ্যানে অল্প তেলে বেগুনগুলো ভেজে নিন। নামিয়ে পরিবেশন পাত্রে বেগুনগুলো সাজান। এবার দইয়ের সঙ্গে বাকি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। এটি বেগুনের ওপর ঢেলে দিতে হবে।
দম মোরগ
উপকরণ:
মোরগ ২টি (দুই কেজি), পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ, আদা মিহি কুচি ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি ৪টি, শুকনা মরিচ ফালি ৪টি, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, বেরেস্তা আধা কাপ, গরমমসলা গুঁড়া ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া আধা চা-চামচ, দারুচিনি ৪ টুকরা, এলাচি ৪টি, লবঙ্গ ৪টি, তেজপাতা ২টি, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, টমেটো বড় করে কাটা ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, মাঠা ৬ কাপ, মিষ্টিদই ২ টেবিল চামচ ও সরিষার তেল ১ কাপ।
প্রণালি:
মোরগ পরিষ্কার করে ৮ টুকরা বা পছন্দমতো টুকরা করে হলুদ, লবণ, দই ও মাঠা দিয়ে মাখিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রাখুন। হাঁড়িতে তেল, পেঁয়াজ, আদা ও রসুন বিছিয়ে মাংস সমান করে বিছিয়ে দিন। বেরেস্তা ও গরমমসলার গুঁড়া বাদে বাকি সব উপকরণ পর্যায়ক্রমে দেওয়ার পর ১ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন। ঢাকনার ওপর গরম পানির হাঁড়ি বসিয়ে ১ ঘণ্টা অল্প জ্বালে রান্না করুন। ঝোল কমে এলে বেরেস্তা ও গরমমসলার গুঁড়া দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামিয়ে নিন।

মজাদার পিঁয়াজু তৈরির একটি দারুণ রেসিপি!


ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই মজাদার পিঁয়াজু তৈরির একটি দারুণ রেসিপি!

ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই মজাদার পিঁয়াজু তৈরির একটি দারুণ রেসিপি!

ডাল বেটে পিঁয়াজু খাওয়া একটা বেশ বড় ঝামেলাই বটে। বিশেষ করে যাদের বুয়া নেই বা যারা একা থাকেন, তাঁদের জন্য খুবই কষ্টকর একটা কাজ এই ডাল বাটা। কিন্ত তাই বলে ডাল বাটার ভয়ে কি পিঁয়াজু খাবেন না? অবশ্যই খাবেন। কেননা আজ আমরা তৈরি করবো ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই সুস্বাদু পিঁয়াজু। কীভাবে? সেখানেই তো রান্নাবান্নার সকল গোপন টেকনিক। চলুন, আজ জেনে নিই কোন রকম ডাল বাটার ঝামেলা ছাড়াই সুস্বাদু পিঁয়াজু তৈরির একটি দারুণ রেসিপি। রেসিপি দিয়েছেন রুমানা বৈশাখী।
এই প্রনালিতে একদিন আপনি ডাল গুঁড়ো করে রাখলে খেতে পারবেন বেশ অনেকদিন। আর এই ডালের গুঁড়ো সহজে নষ্টও হবে না।

উপকরণ

মসুরির ডাল ১/২ কাপ
মুগের ডাল ১/২ কাপ
বেসন প্রয়োজন মত
পেঁয়াজ, ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ কুচি স্বাদ মত
আদা ও রসুন গুঁড়ো বা বাটা স্বাদ মত
এক চিমটি ভাজা জিরার গুঁড়ো (ইচ্ছা)
লবণ ও তেল প্রয়োজনমত
বেকিং পাউডার ১ চিমটি

প্রণালি

  • – মুগের ডাল ভাজবেন না। দু রকম ডাল ভালো করে ধুয়ে কুলায় মেলে দিয়ে রোদে শুকিয়ে নিন।
  • -এবার এই ডালগুলো ব্লেন্ডারে মিহি গুঁড়ো করে নিন। আপনি চাইলে মসলা গুঁড়ো করার দোকান থেকেও গুঁড়ো করিয়ে আনতে পারেন।
  • -গুঁড়ো করার পর একে এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষণ করুন। এবার প্রশ্ন হচ্ছে এই ডালের গুঁড়ো দিয়ে পেঁয়াজু তৈরি করবেন কীভাবে? চলুন , জেনে নিই সেই উপায়।
  • -প্রয়োজনমত ডালের গুঁড়ো নিন, তারপর এর সম পরিমাণ পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। খুব ভালো হবে যদি একটু উষ্ণ পানি দিতে পারেন। উষ্ণ পানি দিয়ে ভিজিয়ে ডালটাকে ঢেকে রাখুন কয়েক ঘণ্টা।
  • -কিছুক্ষণের মাঝেই ডালের গুঁড়ো পানি শুষে নিয়ে একদম নরম ডাল বাটার মত হয়ে যাবে। যদি দেখেন যে ডাল বেশী পানি শুষে নিয়েছে, তাহলে আরও একটু পানি দিতে পারে। তবে পানি যত কম হবে আর ডালের গুঁড়ো যত মিহি হবে, ততই ভালো হবে ডালের মিশ্রণ।
  • -ডালের গুঁড়ো ভিজে নরম হয়ে গেলে এতে পরিমাণ মত বেসন, লবণ, আদা-রসুন বাটা, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কচি যোগ করুন। চাইলে জিরা গুঁড়োও দিতে পারেন। ডাল বেশী নরম হয়ে গেলে বেসন বেশি দেবেন। নাহলে পিঁয়াজু বানাতে যেটুক প্রয়োজন, কেবল সেটুকই দিন।
  • -চুলায় তেল গরম করুন, ডুবো তেলে মুচমুচে করে ভেজে তুলুন। এই পেঁয়াজু অনেকক্ষণ মুচমুচে থাকবে।

আম দিয়ে সুস্বাদু জেলি


আম দিয়ে সুস্বাদু জেলি বানান ঘরে বসেই


 আম দিয়ে সুস্বাদু জেলি বানান ঘরে বসেই

আচার পছন্দ করেননা, এরকম মানুষ কম পাওয়া যাবে। বাজারে ইতিমধ্যে কাঁচা আম চলে এসেছে। যারা আচার বানাতে পারেন, তারা ইতিমধ্যে সারা বছরের জন্য আমের আচার বানানো শুরু করেছেন। যারা পারছেন না, তারা হয়ত বাজার থেকে কিনে আচার খাচ্ছেন। আজকে সবাইকে আমি শিখিয়ে দিব, আমের জেলি বানানোর পদ্ধতি।

কি কি লাগবে?

  • পাকা আম ৩ টা
  • চিনি ১ 3/৪   কাপ
  • পাতিলেবুর রস ৪ টা
বানানোর পদ্ধতি
— প্রথমেই কাঁচের বোতল ধুয়ে, ফুটিয়ে, পানি ঝরিয়ে একেবারে শুকনা করে নিবেন।
— এবার আঁটি বাদ দিয়ে আম টুকরা করে কেটে সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নরম হলে চালুনিতে ছেঁকে রস বের করে নিন অথবা আম চটকে রস বের করে চেলে  নিন।
— পরিস্কার পাত্রে রস নিয়ে চিনি মেশান। রস ও চিনি মিশিয়ে গুলে নিয়ে জ্বালে বসান।
— মাঝে মাঝে নেড়ে দিন ও ফেনা তুলে ফেলে দিন। ফেনা না ফেললে জেলি স্বচ্ছ হবে না। মাঝারি আঁচে ২০-২৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে ঘন করুন। লেবুর রস দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করে মিশিয়ে দিন। এসময় রসটা ফেনা হয়ে ফুটবে। জ্বাল হয়েছে কিনা বোঝার জন্য ১ চামচ জেলি স্টিলের ডিশে ফেলে যদি দেখেন গোল হয়ে জেলির মতো থকথকে হয়ে জমে যাচ্ছে তখন নামিয়ে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন, বেশি জ্বাল হলে পুড়ে যাবে বা লজেন্সের মতো শক্ত হয়ে যাবে।
— জেলি নামিয়ে একটু বাতাসে রেখে গরম থাকাকালীন কাঁচের বোতলে ভরে বোতলের মুখে এক টুকরা শুকনো কাপড় বসিয়ে সুতা দিয়ে বেঁধে ঢাকনা বন্ধ করে রাখুন। পরের দিন কাপড় খুলে ফেলে শুধু ঢাকা দিন।

Friday, March 25, 2016

মাংসের চাপ

সহজ রেসিপি


নাম শুনেই জিহ্বায় জল আসার কথা। কারণ যারা খেয়েছেন তারা জানেন কতটা সু-স্বাদু। তবে রেস্তরাঁর গরুর চাপ যতই সু-স্বাদু হোক না কেন, বগুড়া কলোনীর (চুন্নু মামার) চাপের যেন তুলনা হয় না। বিশ্বাস করছেন না একবার নিজে তৈরি করে খেয়েই দেখুন।

উপকরণ –
গরুর মাংস – আধা কেজি (টুকরা করে কেটে নেওয়া। টুকরা গুলো একটু বড় হলে ভাল হয়)
পেঁয়াজ বাটা – ১ টেবিল চামচ
গুঁড়া মরিচ – ১ চা চামচ
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা – ১/২ টেবিল চামচ
জিরা গুঁড়া – ১ চা চামচ
টক দই – ২ টেবিল চামচ
গরম মশলা গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ (দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা, জায়ফল, জয়িত্রী, কাবাব চিনি, শাহী জিরা অল্প করে মিশিয়ে খুব হাল্কা ঢেলে নিয়ে গুঁড়া করে নিতে হবে। জায়ফল, জয়িত্রী আর শাহী জিরার পরিমাণে একেবারেই কম নিতে হবে, নতুবা তিতা লাগবে)
লবণ – স্বাদ মতো
খোসা সহ পেঁপে বাটা – দেড় চা চামচ
সয়াবিন তেল – আধা কাপ (চাইলে সরিষার তেলও ব্যাবহার করতে পারেন।
পদ্ধতি –
– প্রথমে গরুর মাংস এক ইঞ্চি পুরু করে টুকরা করে নিয়ে মাংস ছেঁচার হাতুড়ি দিয়ে ভাল করে ছেঁচে নিন। বাসায় মাংস ছেঁচার হাতুড়ি না থাকলে শিল পাটায়-ও ছেঁচে নিতে পারেন।
– এরপর মাংসে টক দই, মরিচ গুঁড়া, পেঁয়াজ বাটা, আদা – রসুন বাটা, জিরা গুঁড়া, গরম মশলা গুঁড়া, পেঁপে বাটা, স্বাদ মত লবণ, জর্দার রঙ ও তেল দিয়ে খুব ভালো করে মেখে ২-৪ ঘণ্টা রেখে দিন।
– ৩/৪ ঘণ্টা পরে একটি নন-স্টিক প্যান, গ্রিল প্যান অথবা পুরু লোহার তাওয়া/কড়াই ভাল করে গরম করে নিয়ে তাতে অল্প করে তেল দিয়ে গরম হলে এতে মশলা মাখা গরুর মাংসের টুকরা গুলো প্যানের আকার বুঝে ২/৪ টা করে করে দিয়ে হালকা আঁচে ভাজতে থাকুন।
– মাংস সেদ্ধ হয়ে ভাজা ভাজা হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।
– যদি পরোটা, লুচি বা নান রুটির সাথে পরিবেশন করতে চান, তবে একটু লালচে করে ভেজে নেবেন।

বাড়িতে তৈরি করুণ বিয়ে বাড়ির বোরহানি

 


বিয়ে বাড়ি বা হোটেলে খাবার খাওয়ার পরেই আসে মাজাদার এক গ্লাস বোরহানি । অতিরিক্ত তেলযুক্ত মসলাদার খাবার খেয়ে জিহ্বার আড়ষ্টতা দূরীকরণে তা খুবই কার্যকর। বোরহানি দেহের সুস্থতার জন্য খুবই উপকারী। তাই আসুন আজই বাসায় বসে নিজের হাতে এক মিনিটেই বানিয়ে ফেলি বিয়ে বাড়ির বোরহানি।
যা যা লাগবে –
টক দই আধা কেজি, পানি ১ কাপ, চিনি ১ টেবিল চামচ, সরিষা বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা এক চিমটি, ধনিয়া গুঁড়া আধা চা চামচ, জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া সামান্য, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া এক চিমটি, বীট লবণ ১ চা চামচ, লবণ ১ চা চামচ, পুদিনা পাতা বাটা ২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা আধা চা চামচ।
যেভাবে বানাবেন –
টক দইয়ের সঙ্গে সব উপকরণ দিয়ে দিন ভালোভাবে এক মিনিট ব্লেন্ড করে নিন। বাড়িতেই তৈরি হয়ে যাবে বিয়ে বাড়ির মজার স্বাদের বোরহানি। এখন আপনার পছন্দের পাত্রে ঢেলে পরিবেশন করুন মজাদার বোরহানি ।

ঘরে বসেই পারফেক্ট ‘মিষ্টি দই’ জমানোর সবচাইতে সহজ রেসিপি

কটু ভারী খাবারের পর দই খাওয়া অনেকেই পছন্দ করেন, বিশেষ করে মিষ্টি দই। এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। ইচ্ছে হলে ঘরেই জমিয়ে ফেলতে পারেন দোকানের মতো সুস্বাদু ও পারফেক্ট মিষ্টি দই, খুব সহজেই। ভাবছেন কীভাবে?



উপকরণ

✿- দুধ ১ লিটার
✿- ১ কাপ পানি
✿- চিনি ২০০ গ্রাম
✿- দইয়ের বীজ ২ টেবিল চামচ
✿- ১ টি মাটির পাত্র

দইয়ের বীজ তৈরির পদ্ধতি

দইয়ের বীজ দুভাবে নেয়া যায়
১) আগের দই থেকে ২ টেবিল চামচ সরিয়ে রাখুন।
২) ১ কাপ দুধে ১ কাপ পরিমাণে গুঁড়ো দুধ দিয়ে ভালো করে জ্বাল দিয়ে ক্ষীরসা তৈরি করে নিন। এটিই দইয়ের বীজ হিসেবে কাজ করবে।


দই জমানোর পদ্ধতি

একটি পাত্র দুধ নিয়ে এতে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক পরিমাণে হয়ে এলে এতে চিনি দিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন। দুধ আরও ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা হতে দিন। আঙুল ডুবিয়ে দেখুন গরম সহ্য করা যায় কিনা। এই ধরণের গরম থাকতে দুধে দইয়ের বীজ দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন। এরপর মাটির পাত্রে ঢেলে ভারী মোটা কাপড় বা চটের কিছু দিয়ে ঢেকে অন্ধকার ও ঠাণ্ডা জায়গায় রেখে দিন ৬-৭ ঘণ্টা। ৬-৭ ঘণ্টার মধ্যে দই জমে যাবে। যদি ঠাণ্ডা দই খেতে চান তবে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। এরপর ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করুন দোকানের মতোই সুস্বাদু ঘরে জমানো পারফেক্ট ‘মিষ্টি দই’।

মিষ্টি-মিষ্টি ঝাঁল-ঝাল সুইট চিলি সস তৈরির রেসিপি

Add caption
                          মিষ্টি-মিষ্টি ঝাঁল-ঝাল সুইট চিলি সস তৈরির রেসিপি
                    ===============================================
ঘরে একটু তেলে ভাজা মুচমুচে নাস্তা কিংবা রেস্টুরেন্টে ফ্রাইড খাবারগুলোর সাথে সবচাইতে জনপ্রিয় যে সসটির কথা সবার প্রথমে মনে আসে তা হচ্ছে ‘সুইট চিলি সস’। এই সসটি খাবারের স্বাদ যেন কয়েকগুণ বাড়িয়ে তোলে। কেমন হয় যদি এই রেস্টুরেন্টের বা বাজারের বোতলজাত সসটি ঘরেই মাত্র কয়েকটি উপকরণে খুব সহজেই বানিয়ে নেয়া যায়? তাও ১৫ মিনিটেরও কম সময়ে? অবাক হচ্ছেন? তাহলে শিখে নিন মাত্র ১৫ মিনিটে সুস্বাদু ‘সুইট চিলি সস’ তৈরির খুব সহজ রেসিপিটি।
উপকরণ
– ১/৪ কাপ পানি
– ১/৪ কাপ চিনি
– ১ টি বড় রসুনের কোয়া মিহি কুচি করে নেয়া
– ১ চা চামচ কর্ণফ্লাওয়ার
– ১ চা চামচ শুকনো মরিচ কুচি করে নেয়া (বাজারে কিনতেও পাওয়া যায়)
– ১/৪ কাপ সাদা ভিনেগার/সিরকা


পদ্ধতি
– প্রথমে চুলা মাঝারি আকারের আঁচ দিয়ে প্যানে পানি সিরকা, চিনি ও শুকনো মরিচ কুচি দিয়ে নেড়ে নিন যাতে চিনি মিশে গলে যায়।
– চিনি গলে গেলে মিনিট খানেক জ্বাল দিয়ে নিন মিশ্রনটি মাঝারি আঁচেই। একটু জ্বাল করতে থাকুন এবং এর মাঝেই কর্ণফ্লাওয়ারে খানিকটা গরম পানি কিংবা সসের মিশ্রন থেকেই খানিকটা মিশ্রন নিয়ে কর্ণফ্লাওয়ারে দিয়ে ভালো করে গুলে নিন।
– এবার চুলায় জ্বাল করতে থাকা মিশ্রনে কর্ণফ্লাওয়ারের মিশ্রন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে আরও খানিকক্ষণ জ্বাল দিতে থাকুন। আপনি চাইলে চিনির স্বাদ একটু বাড়াতে স্বাদমতো লবণও দিতে পারেন।
– নিজের পছন্দমতো কিংবা বাজারে কিনতে পাওয়া সসের মতো ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পছন্দের স্ন্যাকসের সাথে মজা নিন খুবই সুস্বাদু সুইট চিলি সসের।

Thursday, March 24, 2016

এক্সক্লুসিভ মাত্র ২০ টাকায় সারা বছর মশা থেকে মুক্ত থাকুন!

সারা বছর মশার প্রচন্ড উপদ্রব-এ আমরা প্রচুর বিরক্ত। মশা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনার মনে হয়তোবা কয়েলের ছবি ভাসছে। কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন, এক বছরে আপনি কয়েলের পিছনে কত টাকা খরচ করেছেন? আর সব থেকে বড় কথা হলো, কয়েল মানব শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর সেটা কি আপনি জানেন? আপনি হয়তোবা বলতে পারেন আমি কয়েল ব্যবহার করিনা। আমার আছে এ্যারোসল! সেটাতো মানব শরীরের জন্য আরো ভয়াবহ ক্ষতিকর । অথবা আপনি বলতে পারেন আমার কাছে ব্যাট আছে। কিন্তু মশার সাথে কতদিন ব্যাডমিন্টন খেলবেন? ১০টা মারবেন ১০০ মশা সামনে এসে হাজির হবে। আপনি মরে যাবেন কিন্তু আপনার মশা মারা আর শেষ হবে না!









আজকে  আপনাদের শেখাব কিভাবে মাত্র ২০ টাকা খরচ করে পুরো ১ বছর মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। তবে তার আগে আপনাকে কয়েল এবং এ্যারোসলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে হবে। তা নাহলে আপনার মাথায় ওগুলোই ঘুরপাক খাবে।
কয়েলের মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ
(১) আপনি যদি একটি মশার কয়েল টানা ৮ ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে ১৩৭টি সিগারেটের পরিমান বিষাক্ত ধোঁয়া আপনি গিলছেন।
(২) কয়েলে যে গুঁড়া দেখেন সেটা এতটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালীর এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে জমা হয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে।
(৩) কয়েলের ধোঁয়া চোখের ভীষন ক্ষতি করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়াবহ ক্ষতিসাধন হতে পারে।
(৪) কয়েল মশাকে তাৎক্ষনিক মারে কিন্তু মানব দেহে
স্লো পয়জনিং করে, ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।
এ্যারোসলে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ
(১) এ্যারোসল হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মানব দেহের হার্ট সরাসরি এ্যারোসলের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
(২) এ্যারোসলের ক্যামিকেল চোখের ক্ষতি করে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে চোখের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
কিভাবে বানাবেন মশার ফাঁদঃ

প্রয়োজনীয় উপকরনঃ
(১) দুই লিটারের একটি প্লাস্টিকের বোতল (সেভেনআপ/কোক/ফান্টা/আরসি কোলা যে কোন পিইটি বোতল)
(২) এক গ্লাসের তিন ভাগের দুই ভাগ (২০০ এমএল) ফুঁটানো ইষৎ গরম পানি
(৩) এক কাপের তিন ভাগের ২ ভাগ ব্রাউন সুগার (খোলা চিনি হলে ভালো তবে পরিশোধিত চিনি হলেও চলবে)
(৪) এক চামচ ইষ্ট (যে কোন সুপার শপ বা বড় মুদি দোকানে পাবেন)
প্রস্তুত প্রনালীঃ
মশা থেকে মুক্ত থাকতে হলে আপনাকে প্রস্তুত প্রানালী ধাপে ধাপে অনুসরন করতে হবে। প্রথমে প্লাষ্টিকের বোতলটি উপর থেকে ৩/৪ ইঞ্চি রেখে একটি চাকু দিয়ে কেটে ফেলুন। তারপর নিচের বড় (বোতল) অংশটিতে ব্রাউন সুগার বা খোলা চিনা বা পরিশোধিত চিনি ঢেলে দিন। নাড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই। তারপর এক কাপ ফুটানো পানি ঢালুন। তারপর এক চামচের তিন ভাগের দুই ভাগ ইষ্ট ছেড়ে দিন। এবার বোতলের উপরের অংশটিকে চিৎ করে বড় বোতলের ভেতর বসিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন বোতলের উপরের অংশের মুখের ছিপিটি যেন অবশ্যই খোলা রাখেন। কারন ওখান থেকেই মশা ভেতরে ঢুকবে। এরপর একটি টেপ দিয়ে বড় এবং ছোট অংশটির জোরা শক্ত করে লাগিয়ে দিন। ব্যস! হয়ে গেলো মশা মারার হোমমেড ফাঁদ। এবার ফাঁদটিকে ঘরের যেকোন কোনায় রেখে দিন। চলতে পারবেন পুরো এক বছর।
সর্তকতাঃ
বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। যাতে তারা ভুলে খেয়ে না ফেলে।
ভালোভাবে বুঝতে ভিডিওটি দেখুন আর হ্যা! যদি মনে করেন এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হতে পারে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না আর কেমন লেগেছে সেটা আমাদের কমেন্টস করে জানাতেও ভুলবেন না। মশা থেকে মুক্ত থাকুন এই কামনায় আজকে শেষ করছি।


মশার ফাঁদ বানানোর প্রক্রিয়াটি ভিডিওতে দেখুনঃ

https://www.youtube.com/watch?v=M1iH4DMz7QI

বিকেলের নাস্তায় খুব ঝটপট সুস্বাদু ‘মাংস বড়া’

 সুস্বাদু ‘মাংস বড়া’
বিকেলে ১ কাপ ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে সাথে মুচমুচে অথবা তেলেভাজা ধরণের খাবার খেতে বেশ লাগে। কিন্তু ঝটপট তৈরি করা যায় এমন কি খাবার রয়েছে? আজকে শিখে নিন এমনই একটি সুস্বাদু বিকেলের নাস্তা রেসিপি খুব ঝটপট।

উপকরণঃ

– ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
– ১ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
– ১ চা চামচ কাবাব মশলা
– ৩ চা চামচ পেঁয়াজ বাটা
– ৩ চা চামচ মরিচ বাটা
– ১ চিমটি হলুদ গুঁড়ো
– পাউরুটির পিস (প্রয়োজন মতো)
– ১ কাপ আলু (সেদ্ধ করে পিষে নেয়া)
– ১ কাপ হাড় ছাড়া মাংস (মুরগি/গরু/খাসি)
– তেল ভাজার জন্য
– লবণ স্বাদমতো

পদ্ধতিঃ

  • – প্রথমে আলু ভালো করে সেদ্ধ করে পিষে নিন ভালো করে। মাংস ছোট করে কেটে সেদ্ধ করে নিন। এরপর মাংস একটি কাটা চামচের ব্যবহারে আঁশ আঁশ ছাড়িয়ে নিন।
  • – এরপর একটি বড় বাটিতে পাউরুটি বাদে সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পাউরুটি ছিঁড়ে ছোট টুকরো করে মিশ্রণের নরমভাব কমাতে ব্যবহার করুন। যতোটা পাউরুটির প্রয়োজন ততোটা দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন।
  • – এরপর হাতে অল্প অল্প করে মিশ্রণ নিয়ে গোল বল তৈরি করে চেপে বড়ার আকার দিন ও আলাদা করে রাখুন।
  • – একটি ফ্রাইংপ্যানে ডুবো তেল নয় আবার বেশি শুকনোও নয় এমন ভাবে তেল দিয়ে বড়া সাজিয়ে দিয়ে ভাজতে থাকুন হালকা থেকে মাঝারি আঁচে। একপাশ হয়ে গেলে অপর পাশ উল্টে লালচে করে ভেজে নিন।
  • – একটি কিচেন টিস্যুতে ভেজে তুলে নিন বড়া গুলো। সব ভাজা হয়ে গেলে সস ও মেয়োনেজের সাথে পরিবেশন করুন এবং গরম গরম মজা নিন এই সুস্বাদু ‘মাংস বড়ার’।
 

ভাজা মাংসের মজাদার কালাভুনা রেসেপি

ভাজা ভাজা গরুর মাংস পরোটা কিংবা পোলাও দিয়ে খেতে চরম লাগে। হয়তো রেস্টুরেন্টে খেয়েছেন, এবার বাসায়ই তৈরী করুন মজাদার মুখোরোচক এই খাবারটি।


উপকরণ
প্রথম ধাপ: গরুর মাংস ১ কেজি (ছোট করে কাটতে হবে)। আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ। রসুনবাটা ২ চা-চামচ। পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদ মতো। মরিচগুঁড়া ২ চা-চামচ। হলুদগুঁড়া ২ চা-চামচ। জিরাগুঁড়া ২ চা-চামচ। ধনেগুঁড়া ২ চা-চামচ। মাংসের মসলা ২ চা-চামচ (বাজারে পাবেন কিংবা নিজেও তৈরি করতে পারেন)। দারুচিনি ২ টুকরা। তেজপাতা ২টি। এলাচি ৩ থেকে ৪টি। লবঙ্গ ৩,৪টি। গরম মসলাগুঁড়া ২ চা-চামচ। সরিষার তেল ৪ টেবিল-চামচ
দ্বিতীয় ধাপ: টালা জিরাগুঁড়া ২ চা-চামচ। পেঁয়াজকুচি ১টি। কাঁচামরিচ ৪,৫টি। তেল ১ কাপ।
পদ্ধতি
প্রথম ধাপ: মাংস কেটে ধুয়ে, পানি ঝরিয়ে সব গুঁড়ামসলা, লবণ, বাটামসলা আর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে নিন।
এখন রান্নার পাত্রে তিন টেবিল-চামচ তেল গরম করে, অল্প পেঁয়াজকুচি বাদামি রং করে ভেজে আস্ত গরম মসলাগুলো দিয়ে দিন। ভাজা হলে মাংস দিয়ে ১০ মিনিট কষিয়ে তিন কাপ গরম পানি যোগ করে নেড়ে ঢেকে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যেন পাতিলের তলায় লেগে না যায়। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে নামিয়ে নিন।
দ্বিতীয় ধাপ: অপর একটি কড়াইতে এক কাপের মতো তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি দিয়ে ভাজুন।
পেঁয়াজ হালকা বাদামি রং হলে মাংসগুলো তুলে এই তেলে দিন। মাঝারি আঁচে মাংসগুলো ভাজুন। ভাজা হলে টালা জিরাগুঁড়া আর কাঁচামরিচ উপর দিয়ে ছড়িয়ে নামিয়ে ফেলুন।
পোলাও, নানরুটি, পরোটা সঙ্গে পরিবেশন করুন।