Thursday, April 28, 2016

নিমবাজ দিয়ে চ্যাটিং করুন

নিমবাজ দিয়ে চ্যাটিং করুন একসাথে

 

অনলাইনে চ্যাটিং করার জন্য প্রায় প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানেররই নিজস্ব ডেক্সটপ ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার রয়েছে। তারপরেও একটি ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার দ্বারা যদি জনপ্রিয় সকল সাইটের চ্যাটিং সুবিধা পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়! এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে নিমবাজ। মোবাইলে ব্যবহার উপযোগী নিমবাজ এখন কম্পিউটারেও (উইন্ডোজ এবং ম্যাক) ব্যবহার করা যাবে। এতে ইয়াহু!, গুগল (জিমেইল, গুগল এ্যাপস), উইন্ডোজ লাইভ (হটমেইল, লাইভ, এমএসএন ইত্যাদি), ফেসবুক, মাইস্পেস, এআইএম, আইসিকিউ, গাডুগাডু এবং হাইভেস একাউন্ট ব্যবহার করা যাবে।
 আর মোবাইলে বাড়তি হিসাবে স্কাইপ ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও এখানকার স্ট্যাটাস সকল একাউন্টের সাথে যেমন যুক্ত হবে তেমনই টুইটারে পোষ্ট করার ব্যবস্থাও আছে। নিমবাজ ব্যবহার করলে একাধিক একাউন্টের জন্য আলাদা আলাদা ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জার ইনস্টল না করে নিমবাজ দ্বারাই চ্যাটিং করা যাবে। ওয়েবসাইটটির ঠিকানা www.nimbuzz.com।

Monday, April 25, 2016

ডিশ লাইন ছাড়াই চলবে সব টিভি চ্যানেল


18
সিকদারঃ অবশেষে ডিস লাইনওয়ালাদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্যের অবসান হতে চলছে।বাংলাদেশে বর্তমানে ডিটিএইচ সেবার দেওয়ার ২টি অপারেটরকে লাইসেন্স দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। আর বাদবাকি সবই অবৈধভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা করছে। টিভি দর্শকদের কয়েকটি ক্যাবল অপারেটর ও টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভির ওপর নির্ভর করতে হয়। ব্যক্তিগত ডিশ ব্যবহারকারীরা অল্প কয়েকটি ফ্রি চ্যানেল দেখতে পারে।
ভারতীয় অপারেটররা দর্শকদের কোনো স্থানীয় বাংলা টিভি না দিয়ে সরকারকে কোনো কর না দিয়ে অবৈধভাবে উচ্চমুল্যে ডিটিএইচ ব্যবসা করছে। ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি দর্শক তার বাড়িতে একটি ছোট ডিস ও রিসিভারের মাধ্যমে সরাসরি সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারবেন। ডিশ লাইনওয়ালাদের মতো আলাদা তারের মাধ্যমে প্রতিটি টিভি সেটে ক্যাবল সংযোগ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। সরকার গত ৩ বছর আগে ক্যাবল অপারেটরদের ব্যাপক বাধা সত্ত্বেও দেশের দুটি বড় কোম্পানিকে ডাইরেক্ট টু হোম (ডিটিএইচ) সেবার অনুমতি দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী প্রথম ডিটিএইচ কোম্পানি চালুর ঘোষণা দিয়েছে বেক্সিমকো। খুব শিগগির এই সেবা চালু হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সেবা চালু হলে একজন গ্রাহক সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তার পছন্দমতো সব চ্যানেল ঝকঝকে এইচডি কোয়ালিটিতে দেখতে পারবেন।
নতুন এ কোম্পানিতে বেক্সিমকোর অংশীদার হয়েছে রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান জিএস গ্রুপ। বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেড নামের এ যৌথ প্রকল্প জিএস গ্রুপের সমন্বিত প্রযুক্তি সেবা দেবে বাংলাদেশের গ্রাহকদের।
জানা গেছে, চলতি বছর বাণিজ্যিকভাবে ডিটিএইচর কার্যক্রম শুরু হবে। আগামী বছরের মধ্যে ৩ লাখ গ্রাহককে এই সেবা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ডিটিএইচ। এরপর প্রতিবছর ৪ লাখ নতুন গ্রাহকের কাছে সেবা পৌঁছানোর প্রাথমিক লক্ষ্য ঠিক করেছে কোম্পানিটি। যৌথ উদ্যোগে গৃহীত এই কার্যক্রমের আওতায় স্থানীয় বাংলা ও শীর্ষ আন্তর্জাতিক চ্যানেলগুলো উপভোগের সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা।

প্রচন্ড গরমে কাঁচা আমের শরবত


এই-গরমে-কাঁচা-আমের-শরবত
 প্রচণ্ড গরমে ঠাণ্ডা কিছু খেতে তো মন কেমন করবেই। কিন্তু পথেঘাটে অস্বাস্থ্যকর পানীয় না খেয়ে ঘরে তৈরি পানীয় খাওয়া উচিৎ। নয়তো বিভিন্নরকম অসুখ-বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। তাই স্বাস্থ্য ও নিজের সুস্থতার দিকে নজর দিতে ঘরেই তৈরি করে ফেলুন বিভিন্নরকম সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর পানীয়। বাজারে এখন প্রচুর কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। এই আম যে শুধু আচার কিংবা চাটনি তৈরিতেই ব্যবহৃত হয়, এমন নয়। কাঁচা আম দিয়েই তৈরা করা যায় চমৎকার স্বাদের শরবত। চলুন তবে, ঝটপট রেসিপি শিখে নিই-
উপকরণ : কাঁচা আম ৪টি, পানি ৮ কাপ, সিরাপ বা চিনি প্রয়োজনমতো, বিট লবণ ১ চা-চামচ, সরিষাগুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা আধা চা-চামচ, পুদিনাপাতা বাটা ১ টেবিল-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ বা পরিমাণমতো।
প্রণালি : আমের খোসা ছাড়িয়ে সেদ্ধ করে ছেনে নিয়ে আঁটি ফেলে দিতে হবে। সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

খুসখুসে কাশি অতঃপর সমাধান

ভালো থাকুন

coughing-cure

** কাশি তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে তাকে পুরোনো কাশি বলে। আর সঙ্গে শ্লেষ্মা না থাকলে সেটাকে খুসখুসে কাশি বলে। সাধারণত হাঁপানি, বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ-পরবর্তী জটিলতা, সাইনাসের প্রদাহ, নাক দিয়ে দীর্ঘদিন সর্দি ঝরার পরবর্তী জটিলতা, অতিরিক্ত ধূমপান ইত্যাদি কারণে খুসখুসে কাশি হয়ে থাকে।
পুরোনো কাশির সঙ্গে রক্তমিশ্রিত শ্লেষ্মা বেরোলে সেটা যক্ষ্মা বা ফুসফুসের ক্যানসারের কারণে হতে পারে। কফ ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা হলে সাধারণত একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং বুকে কোনো ঘড়ঘড় শব্দ পাওয়া যায় না। সাইনাসের প্রদাহের কারণে কাশি হলে সঙ্গে সাধারণত মাথাব্যথাও থাকে। এই ব্যথা ঘাড় বা শরীর সামনের দিকে ঝোঁকালে বেশি হয় এবং রাতের বেলায় তীব্র রূপ নেয়।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে বা শুয়ে থাকলে বা বেশি পরিমাণে খাবার খেলে যদি কাশি হয়, সেটার কারণ পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা। শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ-পরবর্তী জটিলতার কাশিতে সাধারণত একটা সংক্রমণের ইতিহাস থাকে। এতে কাশি মৃদু হয়, যা বিরতি দিয়ে আসে, এমনকি তিন বা চার মাসও থাকতে পারে। এ ছাড়া অ্যাটিপিকাল নিউমোনিয়ার কারণে কারও দীর্ঘদিন ধরে কাশি লেগে থাকতে পারে।


খুসখুসে কাশির সমাধান

★★★প্রতিদিনের জীবনযাপনকে স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে ছোট কিছু হেলথ টিপস!
মৌসুম বদলের এই সময়ে খুসখুসে কাশি, গলা ব্যথা লেগেই থাকে। এর বেশির ভাগই অ্যালার্জিজনিত। এ ধরনের কাশিতে সাধারণত কফ তৈরি হয় না, কফ বেরোয়ও না। শুকনো কাশির সাধারণ কারণের মধ্যে অ্যালার্জি ছাড়াও ভাইরাস সংক্রমণ, ক্রনিক ব্রংকাইটিস, পাকস্থলীর অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গলায় উঠে আসা, হাঁপানি ইত্যাদি দায়ী।
ঋতুবদলের আগে-পরে এ রকম খুসখুসে কাশিতে আক্রান্ত হলে শুরুতে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া যায়। যেমন—
-গরম বাষ্প শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে কাশি অনেকটাই তরল হয়ে আসবে এবং আরাম মিলবে। হালকা গরম লবণ পানি দিয়ে গার্গল করলেও উপকার হবে।
-হালকা গরম পানি, গরম দুধ বা গরম স্যুপ খেতে পারেন, এতে ফুসফুসের জমাট ভাবটা কেটে যাবে।
-আদা দিয়ে তৈরি চা, এক চামচ মধু, পুদিনা বা তুলসী পাতার রস—এগুলো সবই কাশি প্রশমন করে।
-রাতে বিরক্তিকর কাশি থেকে বাঁচতে একটু উঁচু বালিশ ব্যবহার করুন, শোবার আগে একটু গার্গল করুন।
-কফি, ক্যাফেইনযুক্ত খাবার, চকলেট এবং ভাজাপোড়া খাবার কাশির দমক বাড়িয়ে দিতে পারে।
-ঠান্ডা পানি ও পানীয় থেকে বিরত থাকাই ভালো। আর ধূমপান অবশ্যই নয়।
-বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই, বিশেষ করে সঙ্গে জ্বর না থাকলে। চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিহিস্টামিন বা মনটিলুকাস্ট জাতীয় ওষুধ খাওয়া যায়। এগুলো গলা বা শ্বাসনালিতে কাশি উৎপাদনকারী রাসায়নিকের পরিমাণ কমাবে, শ্বাসনালিকে প্রসারিত করবে। ফলে জমে থাকা কফ বেরিয়ে আসতে পারবে।
-প্রচলিত কফ সিরাপ কাশি আরও শুষ্ক করে দিতে পারে।
কয়েক দিনের মধ্যে অ্যালার্জিজনিত বা ভাইরাসজনিত কাশি সেরে যাওয়ার কথা। হাঁপানি বা ব্রংকাইটিসের রোগীদের জন্য এই ঋতুবদলের মৌসুমটা খুবই খারাপ। প্রয়োজনে তাদের অ্যান্টিবায়োটিক বা ইনহেলার, নেবুলাইজার লাগতে পারে। কাশি দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো

মুখে দুর্গন্ধ: মেনে চলুন ৭ পরামর্শ

ভালো থাকুন

অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী দন্ত বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল |
মুখে বা নিশ্বাসের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস একটি বিব্রতকর সমস্যা। এ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য কী কী করতে হবে, জেনে নিন:
১. বাজারে অনেক ধরনের মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায়। তবে অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা মুখগহ্বরকে শুষ্ক করে তোলে এবং এতে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্মায়। বরং প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হালকা গরম লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে পারেন।
২. সজীব নিশ্বাসের জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে যোগ করা যেতে পারে কয়েক ফোঁটা চা পাতার তেল অথবা পুদিনার তেল।
৩. যাঁরা মুখের দুর্গন্ধে ভুগছেন, প্রতিবার খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করুন। তাহলে মুখের ভেতরে জমে থাকা খাবারের কণাগুলো বেরিয়ে যাবে।
৪. বেশির ভাগ মানুষ শুধু তাঁদের দাঁত পরিষ্কার করেন, কিন্তু জিব পরিষ্কার করেন না। কিন্তু সেটাও জরুরি।
৫. যাঁদের মুখগহ্বর বেশি শুষ্ক, তাঁরা মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ ক্ষেত্রে অল্প অল্প করে বারবার প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৬. ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলও মুখের শুষ্কতার জন্য দায়ী।
৭. নিকোটিন হচ্ছে সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি দাঁত ও জিহ্বাতে জমে যায়। ধূমপান মুখের ভেতরটাকে বেশি শুষ্ক করে তোলে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লালাও তৈরি হতে পারে না।

এই গরমে নিরাপদ পানীয়


ভালো থাকুন 

এই গ্রীষ্মের প্রখর রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাব, শরবত, আখের রস, লেবুপানি ও বিভিন্ন জুসের কদরও বাড়ে। রাস্তার মোড়ে, হাটবাজারে দেখা যায় নানা রকমের পানীয় বিক্রির হিড়িক।
কিন্তু খোলাবাজারের এসব পানীয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিরাপদ নয়। কারণ, প্রায়ই অনিরাপদ পানি ও বরফ দিয়ে অপরিচ্ছন্ন, অস্বাস্থ্যকর উপায়ে এসব প্রস্তুত ও পরিবেশন করা হয়। তা ছাড়া, এসব অনিরাপদ পানি বা বরফে থাকতে পারে নানা রোগজীবাণু। ফলে এগুলো পান করলে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, হেপাটাইটিসসহ পানিবাহিত নানা রোগ হতে পারে। আর তাই বাজারের এসব খোলা পানীয়র পরিবর্তে নিরাপদ পানীয় পান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী হচ্ছে সাধারণ কিন্তু নিরাপদ পানি।
প্রচণ্ড দাবদাহে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে এই ঘাটতি মেটানো সম্ভব। এ ছাড়া এ সময় পান করতে পারেন ডাবের পানি। এতে প্রচুর খনিজ উপাদান থাকে, যা আমাদের শরীরকে চাঙা করতে সহায়ক। তরমুজ, ফুটি, বেল, কাঁচা আমের জুস অথবা লেবুপানিও পান করতে পারেন।
ডা. এ হাসনাত শাহীন
ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ, বিআইএইচএস জেনারেল হাসপাতাল
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: ডায়রিয়া হলে কখন শিরায় স্যালাইন দেওয়া উচিত?
উত্তর: ডায়রিয়ার কারণে পানিশূন্যতা না হলে বা মৃদু পানিশূন্যতা হলে মুখে খাওয়ার স্যালাইন নিলেই চলবে। কিন্তু তীব্র পানিশূন্যতায় যখন চোখ দেবে যায়, জিব-ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় অথবা শিরা দুর্বল হয়ে পড়ে—তখন শিরায় স্যালাইন দেওয়া উচিত। ডায়রিয়ার সঙ্গে বারবার বমি হলে বা স্যালাইন খেতে না পারলেও শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।
অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বিএসএমএমইউ

Monday, April 18, 2016

ফিরিয়ে নিন ভুল করে পাঠানো ই-মেইল

Send বাটনে চাপ দিতেই মনে পড়ে গেল ই-মেইলে যে ফাইলটি যুক্ত (অ্যাটাচড) করার কথা তা আদতে করা হয়নি। কিংবা বন্ধুর জন্য লেখা ই-মেইলে ভুল করে বসের ঠিকানা জুড়ে দিয়েছেন। ই-মেইল তো অনেকটা মুখের কথার মতোই—একবার বেরিয়ে গেল তো ফেরত নেওয়ার আর সুযোগ নেই। তবে ই-মেইল সেবাদাতাটি যদি জিমেইল হয়, তাহলে পাঠানো বার্তাটি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত কিছুটা হলেও সময় পাবেন। ‘Undo Send’ নামের সুবিধার মাধ্যমে ভুল করে পাঠানো ই-মেইল তাৎক্ষণিকভাবে মুছে ফেলা বা থামিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। জিমেইল ল্যাবসে বছর ছয়েক আগে সুবিধাটি যোগ করা হলেও তা ছিল পরীক্ষামূলক। সে সময় এই সুবিধা নিজের জন্য যোগ করে থাকলে অবশ্য নতুন করে কিছু আর করতে হবে না। যদি নতুন করে যোগ করতে চান, তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
  • জিমেইলে ঢুকুন (লগ-ইন)।
  • পর্দার ওপরের দিকে ডান কোনায় গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন।
  • Settings নির্বাচন করুন।
  • General ট্যাবের নিচে Undo Send অংশে যান।
  • Enable Undo Send-এ ক্লিক করুন।
  • পাশের তালিকা থেকে ৫, ১০, ২০ বা ৩০ সেকেন্ড সময় নির্বাচন করে দিন।
  • পর্দার নিচে Save Changes বোতামে ক্লিক করে নতুন সেটিংস সংরক্ষণ করুন।
এরপর প্রতিবার কোনো ই-মেইল পাঠানোর পরে ‘Your message has been sent’ লেখার পাশে Undo বোতাম দেখতে পাবেন।
সূত্র: পিসি ম্যাগ