Sunday, April 7, 2013

সুস্বাদু ফল আম এবং আমের জানা অজানা উপকারিতা।

আম আক্তি সুস্বাদু ফল ,আমরা বলি ফলের রাজা আম।
আমরা বাঙালি আর বাঙালি সংস্কৃতির সাথে আম ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িত ।
আমাদের  জন্মের পর  আম এর সাথে  মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে।
আম পাতা জোড়া জোড়া ,মরব চাবুক চরবে ঘোড়া
এই কবিতা দিয়ে আমাদের পরালেখার সাথে আম বেপার টা যুক্ত হয়।
তার পর আর পেছনে নয় ,সামনে পথ চলা শুরু  হয় ।আমকে নিয়া রচনা ও কতো লিখলাম আমরা ।
গাছে গাছে আম দরেছে ।কয়েক দিন পর সারা দেশ আমের জোয়ারে ভাসবে।
imagesm
আম  এর  (ইংরেজি: Mango) এই উপমহাদেশীয় এক প্রকারের সুস্বাদু ফল। কাচা অবস্থায় এর রং সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হলুদ রং হয়ে থাকে। বাংলাদেশ এবং ভারত এ যে প্রজাতির(species) আম চাষ হয় তার বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica. এটি Anacardiaceae পরিবার এর সদস্য। তবে পৃথিবীতে প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। আমের বিভিন্ন জাত (varity) আছে, যেমন ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা, অরুনা, আম্রপালি, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, কাচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপূরী, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, সূর্যপূরী, পাহুতান, ত্রিফলা ইত্যাদী। আম গাছ কে বাংলাদেশের জাতীয় গাছের প্রতীক হিসেবে নেয়া হয়েছে।
mango
আমের
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বর্গ: Sapindales
পরিবার: Anacardiaceae
গণ: Mangifera
আম গাছ সাধারণত ৩৫-৪০মি: (১১৫-১৩০ ফিট) লম্বা এবং সর্বোচ্চ ১০মি: (৩৩ ফিট) ব্যাসার্ধের হয়ে থাকে। আম গাছ গুলো বহু বছর বাঁচে, এর কিছু প্রজাতিকে ৩০০ বছর বয়সেও ফলবতী হতে দেখা যায়। এর প্রধান শিকড় মাটির নিচে প্রায় ৬মি: (২০ ফিট) গভীর পর্যন্ত যেয়ে থাকে। আম গাছের পাতা চিরসবুজ, সরল, পর্যায়ক্রমিক, ১৫-৩৫ সে:মি: লম্বা এবং ৬-১৬ সে:মি: চওড়া হয়ে থাকে; কচি পাতা দেখতে লালচে-গোলাপী রং এর হয়। আমের মুকুল বের হয় ডালের ডগা থেকে, ফুল থেকে শুরু করে আম পাকা পর্যন্ত প্রায় ৩-৬ মাস সময় লাগে।

ripe-mangoes

প্রতি ১০০ গ্রাম আম এ শক্তির পরিমান   (3.5 oz) is 250 kJ (60 kcal), and that of the apple mango is slightly higher (79 kcal per 100g). Mango contains a variety of pytho chemical and nutrintsThe fruit pulp is high in prebiotic  dietray fiber vitamin c, diverse polyphenols and provitamin a carotins
1305679147312
আমে খনিজ লবন এবং ভিটামিন উপাদান  ভিটামিন এ ভিটামিন সি, ভিটামিন -বি৬ (pyridoxine), পটাসিয়াম, কপার লৌহ  এবং এমাইনো এসিড ।
june-049
আমের বায়োলজিকাল উপাদান = প্রো ভিতামিন এ  বেটা ক্যারোটিন , লুশিয়েন এবং আলফা ক্যারোটিন  পলি পিথানল  কিউরেচিন কাম্ফারল, জিলাইক এসিড  ক্যফিক এসিড,  আরও অনেক
green_mango_shake (2)_timestamph
আমের   ভেশজ গুন   আম আমাদের স্কিন ক্যান্সার সহ ভিভিন্ন জটিল রোগ নিরাময় করে
dfssds
আমের অভন্তরীন রঙ  ভারতীও হলুদ, সহ  ।লাল ,কমলা ।সবুজ ,টিয়া ।ইত্যাদি ।
amm
আমের চাষাবাদ
ভারতীয় উপমহাদেশে আম কয়েক হাজার বছর ধরে চাষাবাদ চলছে, পূর্ব এশিয়াতে আমের প্রচলন হয় খ্রীষ্টপূর্ব ৫ম-৪র্থ শতাব্দী থেকে এবং চাষাবাদ শুরু হয় আরো পরে খৃষ্টাব্দ ১০ম শতাব্দী দিকে। ভারতীয় উপমহাদেশ এবং পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের পর পৃথিবীর অন্য যেসব দেশে ভারতীয় উপমহাদেশের মত জলবায়ু রয়েছে, যেমন: ব্রাজিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা মেক্সিকো তে আরো অনেক পরে আমের প্রচলন ও উৎপাদন শুরু হয়[। মরোক্কোর পর্যটক  ইবনে বতুতা  ১৪ শতকে আমের বর্ণনা লিপি বদ্ধ করেন।
green_mango_shake (2)_timestamp
বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সমস্ত উষ্ণ প্রধান জলবায়ুর অঞ্চল গুলিতে আমের চাষাবাদ হয়। এর মধ্য অর্ধেকের কাছাকাছি আম উৎপাদন হয় শুধুমাত্র ভারতে ।এর পর অন্যান্য যেসব দেশ আম উৎপাদন করে তার মধ্যে আছে চিন, বাংলাদেশ , পাকিস্তান, নেপাল ।ভুটান , উত্তর-দক্ষিণ ও মধ্য আমারিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকা প্রভৃতি।
আমরা বুঝ তে পারিনা  আম এর কতো গুন  ,তবে আমি বল তে চাই অন্তত একটি আম গাছ লাগান ,
প্রতিদিন অন্তত ১০০ গ্রাম ফল খান ।

No comments:

Post a Comment